আগামী তিন দিন বঙ্গোপসাগরে কোনো লঘুচাপ সৃষ্টির পূর্বভাস নেই বলে জানা গেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর ও বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থাসমূহের তথ্যানুযায়ী। এই সময়ে উপকূলীয় নদীগুলোয় স্বাভাবিক জোয়ার থাকবে।
অপরদিকে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর কম সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে তা দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।
আজ (৬ জুন) ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌ-বন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
দেশের পর্যবেক্ষণাধীন ১১৬টি পানি সমতল স্টেশনের মধ্যে ৬৫টি বৃদ্ধি পেয়েছে, কমেছে ৪৯টির, অপরিবর্তিত রয়েছে দু’টির এবং চারটি স্টেশনের পানি বিপৎসীমার উপরে রয়েছে। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
আগামী ২৪ ঘণ্টা চিলমারী, ফুলছড়ি, বাহাদুরাবাদ, সারিয়াকান্দি ও জগন্নাথগঞ্জ স্টেশনে নদ-নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে।
এদিকে, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল হ্রাস পাবে। আগামী ৭২ ঘণ্টা (তিন দিন) নদীগুলোর পানি সমতল হ্রাস অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময়ে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় বন্যা পরিস্থিতি বিপৎসীমার নিচে আসতে পারে।
আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত ব্রক্ষ্মপুত্র নদের পানি সমতল কমতে পারে, অপরদিকে, যমুনা নদীর পানি সমতল আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থিতিশীল থাকতে পারে। পরবর্তী চার দিন কমতে পারে এবং বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্রক্ষ্মপুত্র নদের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে ও যমুনা নদীর পানি সমতল বাড়ছে, তবে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গঙ্গা-পদ্মা নদীগুলোর পানি সমতল বাড়ছে যা আগামী পাঁচ দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।



