আফ্রিকান নেশনস কাপের স্বাগতিক মরক্কোর জন্য বড় সুসংবাদ হয়ে এসেছে দলীয় অধিনায়ক আশরাফ হাকিমির ফিটনেস ফিরে পাওয়ার বিষয়টি। দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করে তুললেও দলের প্রথম ম্যাচে হয়তো তাকে মূল একাদশে নাও দেখা যেতে পারে, এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন কোচ ওয়ালিদ রেগ্রাগুই।
রোববার টুর্নামেন্টের অন্যতম ছোট দল কোমোরসের বিপক্ষে রাবাতে আফ্রিকান নেশনস কাপের যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে মরক্কো। তার আগে ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে রেগ্রাগুই বলেছেন, ‘আগামীকাল আমার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। যদিও দলে ফিরে আসার জন্য সে প্রত্যাশার থেকেও বেশি পরিশ্রম করেছে। হাকিমির ইনজুরি মোটেই সহজ কোনো বিষয় ছিল না। এখনো আমার হাতে এক দিন আছে। কালকের ম্যাচে সে শুরু করতে পারে কিনা তা সময়ই বলে দেবে। তবে হাকিমির বিষয়ে আমি কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চাই না। সে হয়তো ম্যাচ শুরুর জন্য প্রস্তুত রয়েছে, কিন্তু হয়তো সে শুরু করবে না।’
পিএসজির তারকা রাইট-ব্যাক হাকিমি এ বছর আফ্রিকার বর্ষসেরা খেলোয়াড় মনোনীত হয়েছেন। গত ৪ নভেম্বর বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে বাম গোঁড়ালির ইনজুরিতে মাঠ ছাড়ার পর এখনো পর্যন্ত কোনো ম্যাচে খেলতে পারেননি। ওই রাতে মাঠ ছাড়তে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিলেন ২৭ বছর বয়সী হাকিমি। কার্যত ঘরের মাঠে আফ্রিকান নেশনস কাপে খেলতে না পারার শঙ্কা তার মধ্যে কাজ করছিল। এরপর অবশ্য ইনজুরির মাত্রা নির্ণয়ের পর শুরু হয় পুনর্বাসন প্রক্রিয়া।
এ বছরের ব্যালন ডি’অর পুরস্কারের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে থাকা হাকিমি আরো বলেন, ‘আমি বেশ সুস্থ অনুভব করছি। মেডিক্যাল স্টাফ ও আমার কোচ যে ধরনের নির্দেশনা আমাকে দিয়েছেন আমি সেগুলো শতভাগ মানার চেষ্টা করেছি।’
রেগ্রারুই বলেন, ‘গত চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ হাকিমি অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন, যা অনেকের পক্ষে করা সম্ভব নয়। অন্য খেলোয়াড় ও স্টাফদের জন্য এটা একটি উদাহরণ হয়ে থাকবে। আজ আমরা তার ফল দেখতে পাচ্ছি। সময়ের তুলনায় আগেই সে ফিট হয়ে মাঠে ফিরতে পেরেছে।’
১৯৭৬ সালের পর প্রথমবারের মতো আফ্রিকান নেশনস কাপের শিরোপার জয়ের মিশনে এ-গ্রুপে মরক্কোর অপর প্রতিপক্ষ হলো মালি ও জাম্বিয়া।
আগামী ১৮ জানুয়ারি ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে এবারের আসরের পর্দা নামবে। বাসস



