ক্রীড়াবিদদের রাজনীতিতে নাম লেখানো নতুন কিছু নয়। তবে খেলায় থাকা অবস্থায় রাজনীতি অনেকটাই বিরল। তবে এমন ঘটনাও দেখা গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেটে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর না নিয়েই রাজনীতি করেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা ও সাকিব আল হাসান। যা ভালোভাবে নেননি সমর্থকরা। যা নিয়ে হয়েছে বেশ সমালোচনা।
এতদিন শুধু বিষয়টা জনরোষ হিসেবে থাকলেও এখন বিষয়টাকে স্বাধীনভাবে খেলার জন্য বাধা ভাবছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ক্রীড়াবিদদের কোনো রাজনীতিক দলের সাথে যুক্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধামন্ত্রী।
সোমবার (৩০ মার্চ) তেজগাঁও নিজ কার্যালয় থেকে খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
তারেক রহমান মনে করেন, কোনো রাজনীতিক দলের সাথে যুক্ত না হয়ে ক্রীড়া নৈপুণ্য দিয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা উচিত।
তিনি বলেন, ‘পেশাদার খেলোয়াড় জীবনে আপনারা কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর নয়, বরং ক্রীড়া নৈপুণ্য দিয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করুন। দেশে-বিদেশে বিজয়মাল্য বরণ করে বিশ্ব ক্রীড়া জগতে বাংলাদেশকে উচ্চতর মর্যাদার আসনে সমাসীন রাখুন।’
প্রধানমন্ত্রী মনে করেন দেশপ্রেম, ইচ্ছা আর স্পিরিট থাকলে একটা সময় সাফল্য আসবেই। তিনি বলেন, ‘দেশপ্রেম, ঐকান্তিক ইচ্ছা আর টিম স্পিরিট থাকলে আপনাদের সাফল্যজনক অগ্রযাত্রায় কেউ বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।’
এ সময় খেলাকে বিনোদন নয়, পেশা হিসেবে দেখার আবেদন করে তারেক রহমান বলেন, ‘বর্তমান সময়ে ক্রীড়া শুধু শখ, বিনোদন ও শরীর চর্চার বিষয় নয় বরং সারাবিশ্বে ক্রীড়া এখন পেশা হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। বাংলাদেশও পিছিয়ে থাকবে না।’
ক্রীড়া ভাতা প্রদান কার্যক্রমের এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ১২৯ ক্রীড়াবিদের হাতে ক্রীড়া ভাতা ও মেডেল তুলে দেন। মাসিক বেতন কাঠামোর আওতায় প্রত্যেক ক্রীড়াবিদ এক লাখ টাকা করে পাচ্ছেন।
ক্রীড়া ভাতা পাওয়া এই ১২৯ ক্রীড়াবিদ ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্বর্ণপদক, ২২টি রৌপ্যপদক ও ৪৪টি ব্রোঞ্জপদক জিতেছেন।
জানা গেছে, এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে।



