ইরাকের বিপক্ষে ফ্রান্সের ৩-০ গোলে জয়ের ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এর আগে সেনেগালের বিরুদ্ধে ৩-১ গোলে জয়ী প্রথম ম্যাচেও এমবাপ্পে দুই গোল করেছিলেন। দুই ম্যাচে চার গোল করা এমবাপ্পে বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট ট্রফি নিয়ে কিছুই ভাবছেন না বলে মন্তব্য করেছেন।
ফরাসি এই ফরোয়ার্ড গতকাল সোমবার ম্যাচ শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। চার গোল করে তিনি নরওয়েজিয়ান আর্লিং হালান্ডের সাথে শীর্ষ গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিকসহ আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি দুই ম্যাচে করেছেন পাঁচ গোল।
এমবাপ্পে বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি এ বিষয়টি নিয়ে কিছুই ভাবছি না। আমি মনে করি এখন আমাদের দলের প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিৎ। টুর্নামেন্টে এগিয়ে যাওয়ার জন্য একটি দল হিসেবে আমাদের পারফর্ম করতে হবে। এর অর্থ হচ্ছে আমাদের নিজেদের শক্তিমত্তার ওপর আস্থা রাখতে হবে। আমি বিশ্বকাপে সবসময়ই গোল করেছি। সে কারণেই এ বিষয়টি নিয়ে আমি চিন্তিত নই। কিন্তু আমি যা বলতে চাচ্ছি, আমাদের সবার এখন দলকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে। কারণ আমরা সবাই জানি, টুর্নামেন্ট যত এগিয়ে যাবে ততই কঠিন হবে, চ্যালেঞ্জ বাড়বে। বিশ্বকাপে শিরোপা জিততে হলে প্রতি ম্যাচে প্রতিপক্ষকে হারাতে হবে। সে কারণেই এই কাজটা অত্যন্ত কঠিন।’
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জয় করেছিলেন এমবাপ্পে। চার বছর আগে সাত ম্যাচে তিনি আট গোল করেছিলেন। এর মধ্যে ফাইনালে ছিল হ্যাটট্রিক। ২০১৮ সালে যৌথভাবে শীর্ষ গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। ওই আসরে গোল্ডেন বুট জয় করেছিলেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেন।
গতকালকের ম্যাচে দুই গোল করে এমবাপ্পে তার বিশ্বকাপের গোলসংখ্যা ১৬’তে নিয়ে গেছেন। বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় কাল মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে শীর্ষে উঠেছেন মেসি। তার গোলসংখ্যা এখন ১৮। আর এমবাপ্পে স্পর্শ করেছেন ক্লোসাকে।
এমবাপ্পে আরো বলেন, ‘আমি গতকালও বলেছি, লিও সবসময়ই গোল পায়। সে গোল করেই চলেছে। লিও যা করছে সেদিকে না তাকালে আমি আরো ভালো করতে পারব। এ কারণেই সে যা করছে, সেদিকে আমি নজর দেই না। আমি আমার দলকে সহযোগিতা করার ওপর গুরুত্ব দেই। আমি নিশ্চিত আমার দলের অংশ, আমি সবসময়ই আমার দলের জন্য খেলতে চাই। তবে একটি কথা বলতে চাই এখনো আমাদের আরো অনেকদুর যেতে হবে। যা খুবই কঠিন! বিশ্বকাপের শেষ পর্যন্ত যেতে যা যা করতে হবে, সেটাই এখন আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।’



