সিংহাসন পুনরুদ্ধার হলো না মেসির, এমবাপ্পের বিশ্বরেকর্ড

মেসির ব্যর্থতায় টানা দ্বিতীয় গোল্ডেন বুট ও বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার বিশ্বরেকর্ড গড়ে ইতিহাস রচনা করলেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
কিলিয়ান এমবাপ্পে
কিলিয়ান এমবাপ্পে |সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সব আলো ছিল লিওনেল মেসির দিকে। স্পেনের বিপক্ষে দারুণ কিছু করতে পারলে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ, তৃতীয় গোল্ডেন বল, গোল্ডেন বুট- সবকিছুই হাতছানি দিচ্ছিল আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে।

কিন্তু মেটলাইফ স্টেডিয়ামের রাতটা শেষ পর্যন্ত মেসির নয়, কিলিয়ান এমবাপ্পেরই হলো। ফাইনালে গোলশূন্য থাকেন মেসি। তাতেই যেন হাতছাড়া হয় সব সম্ভাবনা। কোনো অর্জনই ছুতে পারেনি তাকে।

মেসির ব্যর্থতার ভিড়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট জিতে নেন ফ্রান্সের অধিনায়ক এমবাপ্পে। এই স্বীকৃতি পেয়ে ইতিহাসেও জায়গা করে নিয়েছেন ফরাসি মহাতারকা।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র ফুটবলার হিসেবে দু’বার গোল্ডেন বুট জিতলেন তিনি। তাও পরপর দুই আসরে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ৮ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন এমবাপ্পে।

আর এবারের আসরে আট ম্যাচে ১০ গোল করেছেন ফরাসি অধিনায়ক। ১৯৭০ সালে জার্মানির জার্ড মুলারের পর তিনিই প্রথম ফুটবলার, যিনি একটি বিশ্বকাপে দুই অঙ্কের গোলের মাইলফলক স্পর্শ করলেন।

বিশ্বকাপের এক আসরে এর চেয়ে বেশি গোল আছে শুধু হাঙ্গেরির সান্দর কোচিশের (১১) ফ্রান্সের জুস্ত ফঁতেনের (১৩)। ১৯৫৪ ও ১৯৫৮ সালে এই রেকর্ড গড়েন তারা। ১৯৭০ সালে জার্ড মুলার করেন ১০ গোল।

শুধু এবারের আসর নয়, বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনও এখন এমবাপ্পের দখলে। ২২ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা এখন ২২। অন্যদিকে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৪ ম্যাচ খেলে মেসির গোল ২১টি।

রেকর্ড হয়েছে আরো একটি। ১০ গোলের সাথে ৪ অ্যাসিস্ট ছিল এমবাপ্পের। সব মিলিয়ে ১৪ গোলে অবদান ছিল তার। আধুনিক ফুটবলে এক আসরে এত গোলে অবদান নেই আর কোনো ফুটবলারের।