মেজর লিগ সকারে আরো একবার জাদুকরী পারফরম্যান্স উপহার দিলেন লিওনেল মেসি। নিজে ১ গোল করলেন, সতীর্থদের দিয়ে করালের আরো ২টি। জয় পেয়েছে তার দলও।
শনিবার মেসির অসাধারণ নৈপুণ্যে টরেন্টো এফসিকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। তাতে আগের ম্যাচের অবিশ্বাস্য হারের ধাক্কা সামলে উঠল গোলাপি জার্সিধারীরা।
আগের রাউন্ডে অরল্যান্ডো সিটির বিপক্ষে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেও নাটকীয়ভাবে ৪-৩ গোলে হেরেছিল মায়ামি। সেই ম্যাচেও ১ গোল ও জোড়া অ্যাসিস্ট করেছিলেন মেসি।
গোল-অ্যাসিস্টে দারুণ এক রেকর্ড গড়েছেন মেসি। এমএলএসে এই নিয়ে ১০০টি গোলে অবদান রাখলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। ৬৪ ম্যাচে তিনি করেছেন ৫৯টি গোল ও ৪১টি অ্যাসিস্ট।
লিগের ইতিহাসের দ্রুততম ফুটবলার হয়ে এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন মেসি। আগের রেকর্ড ছিল ইতালির সেবাস্টিয়ান গিওভিঙ্কোর, তিনি মেসির চেয়ে ৩১ ম্যাচ বেশি খেলেছিলেন।
জয়ে ফেরার লড়াইয়ে টরন্টোর মাঠে ৪৪তম মিনিটে রদ্রিগো দে পলের গোলে এগিয়ে যায় মায়ামি। আর ৫৬তম মিনিটে মেসির পাস থেকে ব্যবধান বাড়ান উরুগুয়ের তারকা লুইস সুয়ারেস।
৬৮তম মিনিটে বদলি নামার চার মিনিট পর দলের তৃতীয় গোলটি করেন সের্হিও রেগিলন। মেসির থেকে ফিরতি পাস পেয়ে বল জালে জড়ান তিনি। মায়ামি এগিয়ে ৩-০ গোলে।
৭৫তম মিনিটে দারুণ গোলে স্কোরলাইন ৪-০ করেন মেসি। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ডি পলের সাথে একবার অদলবদল করে গোলরক্ষক লুকা গাভরানকে পরাস্ত করেন তিনি।
আজকের গোলসহ মেসির ক্যারিয়ার গোলসংখ্যা এখন ৯০৭। ৮০তম মিনিটে ম্যাচে দ্বিতীয় গোল পেতে পারতেন মেসি। তবে তার কোনাকুনি শট ঝাঁপিয়ে রুখে দেন গোলরক্ষক।
এদিকে ৮২ ও ৯০তম মিনিটে ২টি গোল শোধ করে লড়াইয়ে উত্তেজনা ফেরায় স্বাগতিকরা। উত্তেজনা আরো বাড়তে পারত, যদি যোগ করা সময়ে রেফারি টরেন্টোর পেনাল্টি আবেদনে সাড়া দিতেন!
যাহোক, নাটকীয় কিছু আর হয়নি। জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মায়ামি।
এই জয়ের পরও ইস্টার্ন কনফারেন্সে ১২ ম্যাচে ৬ জয় ও ৪ ড্রয়ে ২২ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে ইন্টার মায়ামি। ১০ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ন্যাশভিল।



