বিশ্বকাপ থেকে রেকর্ড আয় মিসরের

বিশ্বকাপে ইতিহাসের সেরা পারফরম্যান্স দেখিয়ে মিসর প্রথমবার নকআউট জয়সহ এক আসরে সর্বোচ্চ ৮ গোল ও ৫ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েছে। পাশাপাশি ফিফার প্রাইজমানি থেকে ১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২২৬ কোটি টাকা) আয় করে দেশটির সর্বোচ্চ আর্থিক প্রাপ্তিও নিশ্চিত করেছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
এক আসরে এবারই প্রথম পাঁচটি ম্যাচ খেলেছে মিসর
এক আসরে এবারই প্রথম পাঁচটি ম্যাচ খেলেছে মিসর |সংগৃহীত

আর মাত্র কয়েক মিনিট। তখনও যেন ইতিহাসের খুব কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল মিসর। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন দেখছিল মোহাম্মদ সালাহর দল।

আটলান্টায় ম্যাচের ৬৭ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে এগিয়েও ছিল আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। কিন্তু শেষ ১০ মিনিটে লিওনেল মেসিদের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৩-২ ব্যবধানে হার মেনে শেষ হয় ফারাওদের স্বপ্নযাত্রা।

বিদায়টা কষ্টের হলেও ২০২৬ বিশ্বকাপ মিসরের ফুটবল ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এবারের আসরে নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে তারা।

গ্রুপ পর্বে বেলজিয়াম, ইরান ও নিউজিল্যান্ডকে পেছনে ফেলে রানার্সআপ হয়ে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় দলটি। এরপর শেষ ষোলোয় অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নকআউটে পেয়ে যায় নিজেদের প্রথম জয়।

তবে শেষ ষোলো থেকে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নিলেও বেশ কয়েকটি নতুন রেকর্ড গড়ে ফিরছে আফ্রিকার দেশটি। এক আসরে এবারই প্রথম পাঁচটি ম্যাচ খেলেছে মিসর। তাদের করা ৮ গোলও বিশ্বকাপের একক আসরে দেশটির সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড।

শুধু পরিসংখ্যান নয়, ফলাফলেও ছিল ধারাবাহিকতা। পাঁচ ম্যাচে দু’টি জয়, দু’টি ড্র এবং মাত্র একটি হার- যেটি এসেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের বিপক্ষে লড়াকু ফুটবল খেলেই বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে সালাহর দল।

মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি আর্থিক দিক থেকেও বড় অর্জন হয়েছে মিসরের। ফিফার নতুন প্রাইজমানি কাঠামো অনুযায়ী, মোট ১৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২২৬ কোটি টাকা পেয়েছে তারা। দেশটির বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ আর্থিক প্রাপ্তি।