নারী ফুটবল দলে দুষ্ট চক্র

এখন সাফল্য এনে দেয়া নারী ফুটবল দলের ভেতর থাকা দুষ্ট চক্রকে অবশ্যই কঠোর হস্তে দমন করতে হবে বাফুফেকে। সবার আগে শৃঙ্খলা।’

ক্রীড়া প্রতিবেদক
ফাইল ছবি

যদি কোচ পিটার বাটলারের বিপক্ষে ১৮ ফুটবলার বিদ্রোহ না করতেন তাহলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে হারতে হতো না বাংলাদেশ দলকে। অথচ তারা এর আগেই আমিরাতের চেয়েও শক্তিশালী ভারত ও নেপালকে হারিয়ে সাফ শিরোপা ধরে রেখেছিল। সেই ধাক্কা সামলে এরপর প্রীতি ম্যাচে ইন্দোনেশিয়া এবং জর্দানের সাথে ড্র করা। সেই ধারায় মিয়ানমারের মাটি থেকে নারী এশিয়ান কাপে খেলার ছাড়পত্র। এরপর ফের ছন্দ পতন। থাইল্যান্ডে গিয়ে দু’ ম্যাচেই হার। সেই পথে হেঁটেই তিন জাতি ফুটবলে এবার মালয়েশিয়ার কাছে ০-১ গোলে পরাজয়। হারের পর কোচ বাটলার কয়েক ফুটবলারের মাঠের ভূমিকা দেখে প্রশ্ন তোলেন। যে প্রশ্ন তিনি তুলেছিলেন থাইল্যান্ড সফরের সময়ও। ফুটবলারদের এই উদ্দেশ্যমূলক আচরণেই হেরেছে বাংলাদেশ। অথচ এই মালয়েশিয়াকে এর আগে কমলাপুরের মাঠে ৬-০ তে হারিয়েছিল।

মালয় মেয়েদের কাছে হারের পর ক্ষেপেছেন কোচ বাটলার। সাথে বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণও। তাই কাল কিরন বসবেন নারী ফুটবল দলের সাথে। তার মতে, ‘ফুটবলারদের উল্টো পাল্টা খেলার কারণেই হেরেছে দল।’ কোচ বাটলারের কথাতেই স্পস্ট, দলের মধ্যে গ্রুপিং আছে। সাগিরকা ও মামনি চাকমার মতো উঠতি দুই খেলোয়াড়কে খেলতে দিতে চায় না দলের কয়েক ফুটবলার।

পুরুষ ফুটবল দলও গ্রুপিংয়ে বিপর্যস্ত ছিল। তা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা চলছে। এখন সাফল্য এনে দেয়া নারী ফুটবল দলের ভেতর থাকা দুষ্ট চক্রকে অবশ্যই কঠোর হস্তে দমন করতে হবে বাফুফেকে। সবার আগে শৃঙ্খলা। এটা সত্য কোচের হাই লাইন ডিফেন্স দলকে বিপদে ফেলছে। থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার কাছে হারে এই কৌশলই দায়ী। আবার এই কৌশলেই বাংলাদেশ নারী এশিয়ান কাপ এবং এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলের চূড়ান্ত পর্বে উঠেছে।