ইংল্যান্ডের কোচ থমাস টাচেল স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য এবারের বিশ্বকাপে প্রত্যাশিত উচ্চ তাপমাত্রা ও আর্দ্র আবহাওয়ায় খেলার অভিজ্ঞতা তার দলের খেলোয়াড়দের খুব বেশি নেই।
২৬ সদস্যের ইংল্যান্ড দল সোমবার মিয়ামির উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তারা ১৭ জুন ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচের আগে প্রস্তুতি ক্যাম্প করবে।
টাচেল স্কাই স্পোর্টস নিউজকে বলেন, ‘পরিস্থিতি আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু নয়, তবে দীর্ঘ ও অত্যন্ত কঠিন একটি মৌসুম শেষে আমাদের খেলোয়াড়দের জন্য এটি কোনো সুবিধাও নয়। আমরা এমন গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় অভ্যস্ত নই। আর যদি মেক্সিকোতে খেলতে হয়, তাহলে উচ্চতাজনিত চ্যালেঞ্জও থাকবে। এই বিশ্বকাপে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ থাকবে। গরম তার মধ্যে একটি, তবে আমরা এর জন্য ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি নিয়েছি।’
এফএ অন্তত এক বছর আগে থেকেই এই পরিবেশের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন। গত জুনে একটি উষ্ণ আবহাওয়ার প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে খেলোয়াড়দের বিশেষভাবে তৈরি ডিজিটাল ক্যাপসুল খেতে দেয়া হয়েছিল। এসব যন্ত্র খেলোয়াড়দের শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা এবং কত দ্রুত তারা ঠাণ্ডা হতে পারে তা পরিমাপ করত।
এছাড়া খেলোয়াড়রা বিশেষভাবে উত্তপ্ত তাঁবুর ভেতরে অনুশীলন করেছেন, যাতে বিশ্বকাপের সম্ভাব্য আবহাওয়ার অনুকরণ করা যায়।
টাচেল বলেন, ‘গরমে প্রতিটি খেলোয়াড়ের শরীর কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায় সে সম্পর্কে আমরা জানি এবং আমাদের কাছে শীতলীকরণের কৌশলও রয়েছে। টিম জিবি এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বিশেষজ্ঞরা আমাদের সহায়তা করেছেন, যাতে খেলোয়াড়দের দ্রুত মানিয়ে নিতে সাহায্য করা যায়। প্রাক-প্রস্তুতি ক্যাম্পে কতক্ষণ তাদের এই পরিবেশে রাখা হবে, রোদে কতক্ষণ অনুশীলন করা আদর্শ, এসব বিষয়ে আমাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।’
টেক্সাসের আর্লিংটনে ক্রেয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের পর ইংল্যান্ড খেলবে ঘানা ও পানামার বিরুদ্ধে। এই দুই দল স্বাভাবিকভাবেই উষ্ণ আবহাওয়ার সাথে বেশি মানিয়ে নেয়া দেশ।
তবে টাচেল বলেন প্রথম ম্যাচটি ইনডোর স্টেডিয়ামে হবে, যেখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকবে।
তিনি বলেন, ‘বাস্তবতা হলো ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটি ছাদযুক্ত স্টেডিয়ামে হবে এবং সেখানে এয়ার কন্ডিশনিং চালু থাকবে। তাই এটি বড় সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এরপর আমাদের পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।’



