গত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের রানার্সআপ দল তারা। অথচ এবারের লিগে তারা জয়ের দেখা পাচ্ছিল না। টানা তিন ম্যাচে জয়হীন। আগের ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডানের কাছে হার। হতাশা বাড়ছিল দলে। অবশেষে চতুর্থ ম্যাচে কাঙ্ক্ষিত জয় পেল আকাশি-নীলরা। পুলিশ এফসিকে তারা হারিয়েছে ২-০ গোলে। একই দিনে আরামবাগ ক্রীড়া সঙ্ঘকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ফর্টিস এফসি।
আজ কুমিল্লার ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে আবাহনী ১০ জনের দল নিয়ে পুলিশের বিপক্ষে জিতেছে। দু’ হলুদ কার্ডের জন্য লাল কার্ড পেয়ে বহিঃষ্কৃত হতে হয় ডিফেন্ডার আলমগীর মোল্লাকে। ম্যাচে দু’টি গোল আসে প্রথমার্ধে। ২৫ মিনিটে স্পট-কিক থেকে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন সুলেমানে দিয়াবাতে। বক্সে পড়ে গিয়ে পেনাল্টিটা তিনিই আদায় করে নেন। ৪৩ মিনিটে এনামুল গাজীর পা থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আবাহনী। শেখ মোরসালিনের বাঁকানো ফ্রি-কিক থেকে অসাধারণ এক ভলিতে বল জালে জড়ান এই ফুটবলার। দু’ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে পুলিশ। তবে আবাহনীর রক্ষণ ভেঙে গোল শোধ দিতে পারেনি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে আবাহনীর আলমগীর মোল্লা দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। যদিও তাতে আবাহনীর জয়ে কোনো হেরফের হয়নি। ৪ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ছয়ে উঠে এসেছে আবাহনী লিমিটেড। এক পয়েন্ট বেশি নিয়ে পাঁচে পুলিশ।
এদিকে আজ মানিকগঞ্জের শহীদ মিরাজ-তপন স্টেডিয়ামে ফর্টিসও জয়সূচক গোলটি পায় প্রথমার্ধের ১৬ মিনিটে। পা ওমর বা এর ফ্রি-কিকে জটলার মধ্য থেকে পা ছুঁইয়ে দলকে উচ্ছ্বাসে ভাসান রিয়াজ উদ্দিন সাগর। দ্বিতীয়ার্ধে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ফর্টিস। ম্যাচের ৭৪ মিনিটে আরামবাগের শহীদুল ইসলামের মুখে কনুই দিয়ে আঘাত করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন আতিকুর রহমান ফাহাদ। কিন্তু ১০ জনের ফর্টিসকে চেপে ধরে গোল শোধ দিতে পারে নি আরামবাগ।
৪ ম্যাচে জয়হীন থেকে ১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের নবম স্থানে আছে আরামবাগ। জিতে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ফর্টিস উঠে এসেছে তৃতীয় স্থানে।



