বদলি হিসেবে নেমে বেঞ্জামিন সেসকোর একমাত্র গোলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এভারটনের মাঠে ১-০ গোলে জয়ী হয়ে প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে। একইসাথে কোচ মাইকেল ক্যারিকের অধীনে তাদের অপরাজিত সূচনাও অব্যাহত রইল।
গত ছয় ম্যাচে একবারো শুরুর একাদশে নামেননি সেসকো। তবে গত মাসে রুবেন আমোরিম বরখাস্ত হওয়ার পর থেকেই দারুণ ফর্মে আছেন স্লোভেনিয়ান এই ফরেয়ার্ড। আরবি লিপজিগ থেকে ৭৪ মিলিয়ন পাউন্ডে দলে যোগ দেয়ার পর প্রথম ২২ ম্যাচে মাত্র দুই গোল করলেও, শেষ সাত ম্যাচে তিনি ছয়টি গোল করেছেন।
এই জয়ে আগামী মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা পাওয়ার লড়াইয়ে ইউনাইটেড চেলসি ও লিভাপুলের চেয়ে তিন পয়েন্টে এগিয়ে গেল। এবার শীর্ষ পাঁচ দল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ পাবে।
ম্যাচের বাকি সময়টা ছিল বেশ নিষ্প্রভ, তবে ৭১তম মিনিটে ইউনাইটেডের দারুণ এক দলগত আক্রমণ থেকে আসে জয়সূচক গোল।
নতুন ৫২ হাজার ধারণক্ষমতার হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে মানিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছে এভারটন। তারা টানা সাতটি ঘরের ম্যাচে জয়ের দেখা পায়নি। কোচ ডেভিড ময়েসের দল ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার লড়াইয়ে ওপরে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া করেছে।
নভেম্বরে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে আগের দেখায় এভারটন ১-০ জিতেছিল, যদিও প্রায় পুরো ম্যাচই তাদের একজন কম খেলোয়াড় নিয়ে খেলতে হয়েছিল।
১৩ দিন পর ম্যাচ খেলতে নেমে দুই দলই ছন্দহীন ছিল। প্রথমার্ধে উল্লেখযোগ্য সুযোগ ছিল মাত্র একটি, জর্ডান পিকফোর্ড দুই মিনিটের মাথায় আমাদ দিয়ালোর শট ঠেকান।
দ্বিতীয়ার্ধে সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে আবারও সেসকোর বদলে সুযোগ পান ব্রায়ান এমবেউমো। কিন্তু কোণাকুণি অবস্থান থেকে তার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়।
তবে জয়সূচক গোলে এমবেউমোর বড় অবদান ছিল। নিজেদের অর্ধে সেসকো বল দেন মাতেয়াস কুনহাকে। তারপর দ্রুত সামনে এগিয়ে এমবেউমোর নিখুঁত পাস থেকে বল জালে জড়ান।
শেষদিকে এভারটনের চাপ সামলাতে হয় ইউনাইটেডকে। মাইকেল কিনের দূরপাল্লার জোরালো শট গোলরক্ষক সেন লামেন্স কর্নারের মাধ্যমে রক্ষা করেন।
আমোরিমের বিদায়ের আগে পুরো মৌসুমে মাত্র দুটি ক্লিন শিট রাখা ইউনাইটেড, ক্যারিকের অধীনে ছয় ম্যাচে তিনটি ক্লিন শিট পেয়েছে। তিন মৌসুম পর আবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফেরার স্বপ্ন এখন অনেকটাই উজ্জ্বল।



