কস্তার দেয়াল ভেঙে হলান্ডের জোড়া গোল, সিটির জয়

পোর্তো গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তার বাধা পেরিয়ে আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে চ্যাম্পিয়নস লিগে ২-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
পোর্তোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় পায় ম্যানচেস্টার সিটি
পোর্তোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় পায় ম্যানচেস্টার সিটি |সংগৃহীত

প্রথমার্ধজুড়ে গোলের সামনে বারবার হতাশ হতে হয়েছে। পোর্তো গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তা যেন একাই হয়ে উঠেছিলেন ম্যানচেস্টার সিটির সামনে সবচেয়ে বড় বাধা। কিন্তু বিরতির পর সেই দেয়াল ভেঙে দেন আর্লিং হলান্ড। জোড়া গোল করে দলকে এনে দেন জয়।

পোর্তোর মাঠে মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ২-০ গোলের জয় পায় ম্যানচেস্টার সিটি। এই জয়ে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতায় নিজেদের অভিযান শুরু করেছে সিটিজেনরা।

শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল সিটির হাতে। বল দখলে এগিয়ে থেকে একের পর এক আক্রমণ সাজাচ্ছিল তারা। কিন্তু গোল হচ্ছিল না। ২১তম মিনিটে ফিল ফোডেনের ক্রস থেকে হলান্ডের শক্তিশালী হেড অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় ঠেকিয়ে দেন কস্তা।

১১ মিনিট পর আরো কঠিন পরীক্ষায় পড়েন পোর্তোর গোলরক্ষক। বক্সের ভেতর থেকে হলান্ডের শট ঠেকানোর পর কয়েক সেকেন্ডের মাঝেই রায়ান শের্কির নিচু শটও ফিরিয়ে দেন তিনি।

প্রথমার্ধে গোল না পেলেও সিটির আক্রমণের ধার কমেনি। বিরতির পর মাঠে নেমেই কাঙ্ক্ষিত গোল পেয়ে যায় সফরকারীরা। ৪৭ মিনিটে বাইলাইন থেকে বল রক্ষা করে কাটব্যাক করেন শের্কি। এন্সো ফের্নান্দেসের ক্রসে হেড করেন হলান্ড।

পোস্টে লেগে বল ঢুকে যায় জালে। অবশেষে ভাঙে কস্তার প্রতিরোধ। ১-০ পিছিয়ে পড়ে পোর্তোও ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। কয়েকবার সিটির রক্ষণে চাপ তৈরি করে স্বাগতিকরা। তবে গোলের মুখে শেষ মুহূর্তের সাফল্য পায়নি তারা।

বরং শেষ হাসিটা হাসে সিটিই। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে রায়ান আইত-নুরির কাছ থেকে বল পেয়ে নিচু শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হলান্ড। তাতেই নিশ্চিত হয়ে যায় সিটির ২-০ গোলের জয়।

এই ম্যাচে সিটি গোলের জন্য ২০টি শট নেয়, যার ১০টি ছিল লক্ষ্যে। পোর্তোর পাঁচটি শটের একটিও লক্ষ্যে ছিল না। তবে সংখ্যার চেয়েও বড় ছিল হলান্ডের কার্যকারিতা- সুযোগ পেয়েছেন, আর দুবারই বল পাঠিয়েছেন জালে।

জোড়া গোলের পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে হলান্ডের গোলসংখ্যা দাঁড়াল ৩৬। ক্লাবটির হয়ে এই প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ গোলদাতা সের্হিও আগুয়েরোর পাশে বসেছেন তিনি।