টরেন্টো মঙ্গলবার তাদের উন্নততর বিশ্বকাপ স্টেডিয়াম উন্মোচন করে জানিয়েছে ফিফার ধারণক্ষমতার শর্ত পূরণে বসানো অস্থায়ী আসনগুলো দর্শকদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ হবে।
ম্যাপল লিফ স্পোর্টস অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্টের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা নিক ইভস বলেন, ‘গ্যালারিগুলো পুরোপুরি নিরাপদ থাকবে।’
১৬টি ভেন্যুর মধ্যে টরেন্টোর স্টেডিয়ামটি সবচেয়ে ছোট। এর স্বাভাবিক আসনসংখ্যা প্রায় ২৮,০০০ হলেও বিশ্বকাপ আয়োজনের মান পূরণে প্রায় ১৭,০০০ অতিরিক্ত আসনসহ নানা উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে।
এই মাসের শুরুতে অস্থায়ী গ্যালারির নিচের স্ক্যাফোল্ডিংয়ের ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ভক্তদের প্রতিক্রিয়া ছিল নেতিবাচক। একজন ভক্ত এক্স-এ লিখেছিলেন, ‘সম্মানের সাথে বলছি, আমাকে টাকা দিলেও আমি ওখানে ওঠা, দাঁড়ানো বা বসব না।’
ইভস জানান, টরেন্টো ‘অ্যারেনা গ্রুপ’ নামের একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে কাজ করেছে এবং অনলাইনে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে তার বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই।
তিনি আরো বলেন, আগামী ৯ মে লিওনেল মেসির ইন্টারি মায়ামি ও টরেন্টো এফসির মধ্যকার ম্যাচটিতে নতুন অবকাঠামোর পূর্ণ পরীক্ষা করা হবে।
টরেন্টোতে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের এক মাস আগে ফিফা ১৩ মে থেকে স্টেডিয়ামের নিয়ন্ত্রণ নেবে।
টরেন্টো সিটির বিশ্বকাপ আয়োজন কমিটির নির্বাহী পরিচালক শ্যারন বোলেনবাখ বলেন, ফিফা স্টেডিয়ামের উন্নয়ন কাজ কঠোরভাবে তদারকি করেছে, ‘তারা প্রতিটি আসন গুনে, প্রতিটি আসন পরীক্ষা করে, দৃশ্যমানতা যাচাই করে- আমাদের কাজ অনুমোদনের আগে ফিফা একাধিকবার পরিদর্শন করেছে। ছয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচ আয়োজনের জন্য নির্ধারিত ৩৮০ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারের বাজেট অতিক্রম করার সম্ভাবনা নেই। তবে কঠোর শীত ও ভারী তুষারপাতের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। এটি মাঠের ঘাসের জন্যও কিছু জটিলতা তৈরি করে। মাঠটি ৯৫ শতাংশ প্রাকৃতিক ঘাস এবং ৫ শতাংশ কৃত্রিম উপাদানের মিশ্রণে তৈরি, যা ফিফার সুপারিশেই করা হয়েছে।



