ইতিহাস গড়লেন মেসি, তিনিই এখন বিশ্বকাপের সেরা

ম্যাচের ৩৮ মিনিটে ফাকুন্দো মেদিনার ক্রসে ধরে ডামি করেন থিয়াগো আলমাদা। সেখান বল পেয়ে যান মেসি। আর এরপরই দারুণ দক্ষতায় বল জড়ান জালে। এরপরই যেন গর্জে উঠে গ্যালারি।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
লিওনেল মেসি
লিওনেল মেসি |সংগৃহীত

ইতিহাস গড়েই ফেললেন মেসি। বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা ফুটবলার এখন তিনি। মিরোসাভ ক্লোসাকে পেছনে ফেলে বনে গেছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

১৩ গোল নিয়ে এবারের বিশ্বকাপ শুরু করেন মেসি। প্রথম ম্যাচেই আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে সংখ্যাটা নিয়ে যান ১৬-তে। বসে যান বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা ক্লোসার পাশে।

সোমবার (২২ জুন) অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ডালাসে তিনি পেরিয়ে গেলেন জার্মান কিংবদন্তিকে, ২৮তম ম্যাচে পেয়ে গেছেন ১৭তম গোল। এবারের বিশ্বকাপে যা দুই ম্যাচে তার চতুর্থ গোল।

ম্যাচের ৩৮ মিনিটে ফাকুন্দো মেদিনার ক্রসে ধরে ডামি করেন থিয়াগো আলমাদা। সেখান বল পেয়ে যান মেসি। আর এরপরই দারুণ দক্ষতায় বল জড়ান জালে। এরপরই যেন গর্জে উঠে গ্যালারি।

রেকর্ড গোলটা পেয়ে যেতে পারতেন ৭ম মিনিটেই। লাওতারো মার্তিনেজকে বক্সের ভেতর ফাউল করেন অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডার স্তেফান পশ। ভিএআর দেয় পেনাল্টির সিদ্ধান্ত।

কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে ডান দিকের পোস্টের বাইরে বল মারেন মেসি। হতাশ করেন তিনি। ক্যারিয়ারের ১৪৯তম পেনাল্টি নিয়ে ৩৩বার মিস করলেন আর্জেন্টিনাইন মহাতারকা।

বিশ্বকাপে এখন সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের রেকর্ড মেসির। ২০১৮ ও ২০২২ সালেও একটি করে পেনাল্টি মিস করেন মেসি।

১৯ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ নষ্ট করেন মেসি! গোলরক্ষককে একা পেয়েও তার গায়ে মারেন। এমতাবস্থায় প্রশ্ন উঠে তবে কি আজ দিনটা মেসির নয়?

তবে ৩৮ মিনিটে আসে সেই কাঙ্খিত মুহূর্ত। মেসি যেন বললেন দিন কিভাবে নিজের বানাতে হয়, তা তিনি জানেন। দলকে দারুণ গোলে যেমন এগিয়ে দিলেন, নিজেও গড়লেন রেকর্ড।

এই নিয়ে বিশ্বকাপে টানা ৬ ম্যাচে গোল করলেন মেসি। কাতার বিশ্বকাপের শেষ ৪ ম্যাচ ও এবার টানা দুই ম্যাচে পেলেন গোল।

এই কীর্তি আছে কেবল ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন ও ব্রাজিলের জেয়ারজিনহোর।

অবশ্য এই অর্ধে ভালো খেলেছে অস্ট্রিয়াও। বেশ কয়েকটি দারুণ আক্রমণও করে তারা। চাপ বাড়ায় আলবিসেলেস্তাদের রক্ষণে। যদিও গোল পায়নি। ১-০ তে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে গেছে মেসিরা।