কঙ্গোকে হারিয়ে নকআউট নিশ্চিত করল কলম্বিয়া

শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের মূল্যবান জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া। এই জয়ের ফলে নকআউট পর্বে তাদের জায়গা নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদিকে সাহসী লড়াই করেও পরাজয়ের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ডিআর কঙ্গোকে।

ক্রীড়া ডেস্ক
ডিআর কঙ্গোকে ১-০ গোলে হারানোর পর কলম্বিয়ানদের উদযাপন
ডিআর কঙ্গোকে ১-০ গোলে হারানোর পর কলম্বিয়ানদের উদযাপন |সংগৃহীত

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ডিআর কঙ্গোকে ১-০ গোলে পরাজিত করে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে কলম্বিয়া। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে দ্বিতীয়ার্ধে, ৭৬তম মিনিটে দানিয়েল মুনিওজের পা থেকে। দীর্ঘ সময় গোলের জন্য অপেক্ষা করলেও শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত জয় তুলে নিতে সক্ষম হয় দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।

বাংলাদেশ সময় সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় কলম্বিয়া। বলের দখল, আক্রমণের সংখ্যা এবং সুযোগ সৃষ্টিতে প্রতিপক্ষের তুলনায় অনেক এগিয়ে ছিল তারা। তবে ডিআর কঙ্গোর দৃঢ় রক্ষণ এবং গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসির অসাধারণ নৈপুণ্যে প্রথমার্ধে কোনো গোলের দেখা পায়নি কলম্বিয়ানরা।

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল কলম্বিয়া। জন আরিয়াসের জোরালো শট দুর্দান্ত দক্ষতায় প্রতিহত করেন এমপাসি। এরপর অষ্টম মিনিটে দানিয়েল মুনিওজ বল জালে জড়ালেও ভিএআরের সিদ্ধান্তে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।

প্রথমার্ধজুড়ে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায় কলম্বিয়া। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রেখে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করলেও বারবার বাধা হয়ে দাঁড়ান এমপাসি। ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটেই অন্তত পাঁচটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেন কঙ্গোর এই গোলরক্ষক।

অন্যদিকে ডিআর কঙ্গো মূলত রক্ষণাত্মক কৌশলেই খেলেছে। মাঝে মধ্যে পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করলেও কলম্বিয়ার রক্ষণভাগ তাদের বড় কোনো সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য সমতায়।

বিরতির পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে কলম্বিয়া। অবশেষে ৭৬তম মিনিটে আসে প্রতীক্ষিত গোল। দানিয়েল মুনিওজ দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন। এরপর ম্যাচের বাকি সময় কঙ্গো সমতায় ফেরার চেষ্টা চালালেও সফল হতে পারেনি।

শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের মূল্যবান জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া। এই জয়ের ফলে নকআউট পর্বে তাদের জায়গা নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদিকে সাহসী লড়াই করেও পরাজয়ের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ডিআর কঙ্গোকে।

ম্যাচে পরাজিত হলেও ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি ছিলেন অন্যতম উজ্জ্বল পারফরমার। তার একের পর এক দুর্দান্ত সেভ না থাকলে ব্যবধান আরও বড় হতে পারত। তবে শেষ পর্যন্ত মুনিওজের একমাত্র গোলই গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য এবং কলম্বিয়াকে পৌঁছে দেয় নকআউট পর্বে।