আগামী ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশ্বকাপের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এমন স্টেডিয়ামগুলোর ওপর এবং টুর্নামেন্ট-সংশ্লিষ্ট ফ্যান ইভেন্টগুলোর এলাকায় ড্রোন উড়ানো নিষিদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ।
ফেডারেল এভিয়েশন এডমিনিষ্ট্রেশন (এফএএ) এক বিবৃতিতে জানায়, ম্যাচের দিনগুলোতে বিশেষ অনুমতি ছাড়া ড্রোনসহ কোনো ধরনের উড়োজাহাজ স্টেডিয়ামের তিন নটিক্যাল মাইল (প্রায় ৫.৬ কিলোমিটার) ব্যাসার্ধের মধ্যে এবং ভূমি থেকে ৩,০০০ ফুট (প্রায় ৯০০ মিটার) উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে পারবে না।
আয়োজক শহরগুলোর স্টেডিয়াম ও অন্যান্য স্থানে অনুষ্ঠিত ফ্যান ইভেন্টগুলোর জন্যও আলাদা নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এসব স্থানের চারপাশে এক নটিক্যাল মাইল (প্রায় ১.৮৫ কিলোমিটার) ব্যাসার্ধ এবং ভূমি থেকে ১,০০০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত ‘নো-ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করা হয়েছে।
এফএএর প্রশাসক ব্রায়ান বেডফোর্ড বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমর্থকেরা যখন স্টেডিয়াম ও ফ্যান ইভেন্টগুলোতে জড়ো হবেন, তখন আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখতে এফএএ সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, যার মধ্যে আরো কঠোর ড্রোন-নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের সর্বোচ্চ ১ লাখ ডলার জরিমানা, সরঞ্জাম জব্দ এবং ফেডারেল পর্যায়ে ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হতে হতে পারে। ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) নিশ্চিত করেছে যে তারা নিরাপদ আকাশসীমা নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রমে অংশ নেবে।
এফবিআইয়ের আটলান্টা কার্যালয়ের কর্মকর্তা এ্যারন হোপ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো সবাইকে জানিয়ে দেয়া যে এটি একটি ড্রোন-মুক্ত এলাকা।
তিনি আরো বলে, প্রয়োজনে কোনো ড্রোন আটকানোর প্রযুক্তি আমাদের রয়েছে। ড্রোন শনাক্ত করা এবং এর পরিচালনাকারীকে খুঁজে বের করার সক্ষমতাও আমাদের আছে এবং প্রয়োজন হলে আমরা তা ব্যবহার করব।
এফএএ জানিয়েছে, ডিটার নামের একটি নতুন নজরদারি ও প্রয়োগ ব্যবস্থা বিশ্বকাপে ব্যবহার করা হবে। এই প্রযুক্তি দ্রুত ড্রোন-সংক্রান্ত নিয়মভঙ্গ শনাক্ত করতে সক্ষম এবং এর মাধ্যমে আরো কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।



