মেসির ইনজুরি শঙ্কা, বিশ্বকাপের আগে উদ্বেগ

ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেয়ার পর থেকেই মেসির খেলার চাপ সতর্কতার সাথে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। ঘন ঘন ম্যাচসূচির সময় দলীয় স্টাফরা নিয়মিতই তাকে কিছু ম্যাচ থেকে বিশ্রাম দিয়েছেন। গত কয়েক বছরে হ্যামস্ট্রিং সমস্যার কারণে তাকে একাধিকবার মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে মিয়ামির প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতির কিছু অংশও তিনি মিস করেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মেসিকে মাঠ ছাড়ার পর স্বাভাবিকভাবেই হাঁটতে দেখা গেছে
মেসিকে মাঠ ছাড়ার পর স্বাভাবিকভাবেই হাঁটতে দেখা গেছে |ইন্টারনেট

বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসিকে ঘিরে ইনজুরির শঙ্কা তৈরি হয়েছে। হঠাৎ করে রোববার ইন্টার মিয়ামির হয়ে মেজর লিগ সকার ম্যাচে ফিলাফিলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে তিনি ইনজুরি শঙ্কায় মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান।

আর্জেন্টাইন অধিনায়ক মেসিকে ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে বদলি করা হয়। বৃষ্টিভেজা মিয়ামির ন্যু স্টেডিয়ামে খেলতে গিয়ে তিনি বাম পায়ের পেছনের অংশ ধরে মাঠ ছাড়ার অনুরোধ জানান।

৩৮ বছর বয়সী মেসিকে মাঠ ছাড়ার পর স্বাভাবিকভাবেই হাঁটতে দেখা গেছে। পরে তিনি সরাসরি টানেলে চলে যান। ম্যাচটিতে শেষ পর্যন্ত মিয়ামি ৬-৪ গোলে জয়লাভ করে।

ইন্টার মিয়ামির কোচ গুইলারমো হয়োস ম্যাচ শেষে বলেন, মেসি সত্যিই ইনজুরিতে পড়েছেন কি না, তা নির্ধারণ করার জন্য তখনো সময়টা সঠিক ছিল না। তিনি ইঙ্গিত দেন যে মাঠের পরিস্থিতির কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই মেসিকে তুলে নেয়া হয়েছে।

ম্যাচ শেষে মেসির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে হয়োস বলেন, ‘যতদূর জানি, এ বিষয়ে এখনো কোনো মেডিক্যাল রিপোর্ট পাইনি, তবে শিগগিরই পাব।’

তিনি আরো বলেন, ‘সে সত্যিই ক্লান্তিতে ভুগছিল, আসলে এটা ক্লান্তিই। সে খুব ক্লান্ত ছিল, মাঠও ভারী ছিল। আর এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ নিয়ম হলো কোনো ঝুঁকি না নেয়া।’

মেসির সতীর্থ মাতেও সিলভেত্তিক তার অবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার কিছু জানাতে পারেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি অন্য সবার মতোই অন্ধকারে আছি। তখন আমরা সবাই ম্যাচ নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম। এটা ইনজুরি ছিল নাকি সে শুধু ক্লান্ত ছিল, আমি জানি না। আমরা আশা করছি বিষয়টি গুরুতর কিছু নয়। তার মানসিকতা এবং সবকিছু বিবেচনায় আমরা তার জন্য শুভকামনা জানাচ্ছি।’

২০২৩ সালে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেয়ার পর থেকেই মেসির খেলার চাপ সতর্কতার সাথে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। ঘন ঘন ম্যাচসূচির সময় দলীয় স্টাফরা নিয়মিতই তাকে কিছু ম্যাচ থেকে বিশ্রাম দিয়েছেন। গত কয়েক বছরে হ্যামস্ট্রিং সমস্যার কারণে তাকে একাধিকবার মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে মিয়ামির প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতির কিছু অংশও তিনি মিস করেন।

তবে আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকার বড় ধরনের কোনো ইনজুরি হলে, তা আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্নে বড় ধাক্কা হবে।