সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে আগের আট ম্যাচে মাত্র দুই জয় ছিল রিয়াল মাদ্রিদের। আর সবশেষ দুই ম্যাচে তো ঘরের মাঠেই হেরে বসে তারা। ফলে বেশ চাপে ছিল দলটা। তবে আপাতত খানিকটা স্বস্তি ফিরেছে রিয়াল শিবিরে।
আলাভেসের মাঠে রোববার তাদেরই মুখোমুখি হয় রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগার এই ম্যাচটিতে ২-১ গোলে জিতেছে লস ব্লাঙ্কোজরা। তাতে পয়েন্ট তালিকায় বার্সেলোনার সাথে ব্যবধান কমে এসেছে।
১৭ ম্যাচে ১২ জয় ও তিন ড্রয়ে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান ম্যাচে ৪ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা।
আগের ম্যাচ থেকে তিনটি পরিবর্তন এনে আলাভেস ম্যাচের একাদশ সাজান জাভি আলোন্সো। অভিষেক হয় অ্যাকাডেমির ১৯ বছর বয়সী ফুল-ব্যাক ভাল্দেপেনাসের। তাতে খানিকটা গতি ফেরে খেলায়।
আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে শুরুতে জমে ওঠে লড়াই। বেশ কয়েকটি লক্ষ্যভ্রষ্ট শটের পর, ২৪তম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় রিয়াল মাদ্রিদ। গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
মাঝমাঠ থেকে জুড বেলিংহ্যামের বাড়ানো বল ধরে, প্রতিপক্ষের একজনের বাধা এড়িয়ে বক্সে ঢুকে গোলটি করেন এমবাপ্পে। যা এবারের মৌসুমে ২২ ম্যাচে তার ২৬তম গোল। আর লা লিগায় ১৭তম।
এগিয়ে যাওয়ার পর প্রথমার্ধে আরো কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল। তবে ব্যবধান বাড়াতে পারেনি তারা। উল্টা যোগ করা সময়ে আলাভেসের নিশ্চিত গোলের প্রচেষ্টা রুখে দেন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।
তার দৃঢ়তায় এক গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় অতিথিরা। সেই লিড ভাঙে ৬৮তম মিনিটে। বদলি হিসেবে নেমে এক মিনিটের মধ্যেই গোল করে দলকে সমতায় ফেরান কার্লোস ভিনসেন্ট।
মাঝে অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে এমবাপ্পে ও ভিনিসিউস জুনিয়রের শট ঠেকিয়ে রেয়ালের ব্যবধান বাড়তে দেননি আলাভেস গোলরক্ষক আন্তোনিও সিভেরা।
তবে গোল হজমের পদ আক্রমণের ধার বাড়িয়ে ফের লিড উদ্ধার করে রিয়াল। ৭৬তম মিনিটে ভিনিসিউসের পাসে ছুটে গিয়ে গোল করেন রদ্রিগো। লা লিগায় শেষ ১১ মাসে যা তার প্রথম গোল।
এরপর আর কোনো গোল না হলে ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।



