অস্ট্রেলিয়াকে হতাশ করে শিরোপা পুনরুদ্ধার জাপানের

এটি ছিল জাপানের সপ্তম এশিয়ান কাপ ফাইনাল ছিল। আর সব মিলিয়ে তৃতীয় শিরোপা।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
অস্ট্রেলিয়াকে হতাশ করে শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে জাপানের নারী ফুটবলাররা
অস্ট্রেলিয়াকে হতাশ করে শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে জাপানের নারী ফুটবলাররা |সংগৃহীত

পারলো না অস্ট্রেলিয়া। ঘরের মাঠে শিরোপা উঁচিয়ে ধরা হলো না তাদের। স্বাগতিকদের আক্ষেপে ভাসিয়ে গত চার আসরে তৃতীয় বার এশিয়ান ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলো ‘নাদেশিকো’রা।

সিডনির রেকর্ড গড়া দর্শকদের স্তব্ধ করে দিয়ে নারী এশিয়ান কাপের মুকুট পুনরুদ্ধার করলো জাপান। আজ শনিবার ফাইনালে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে তারা।

এটি ছিল জাপানের সপ্তম এশিয়ান কাপ ফাইনাল ছিল। আর সব মিলিয়ে তৃতীয় শিরোপা। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের পর ২০২৬ সালেও ট্রফি জিতে নিজেদের দাপট প্রমাণ করল তারা।

অন্যদিকে ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন হতে মুখিয়ে ছিল অজিরা। রেকর্ড গড়া দর্শক নিয়ে ২০১০ সালের পর আরো একবার শিরোপা উদযাপনের অপেক্ষায় ছিল তারা। তবে হতে হয়েছে হতাশ।

ফাইনাল উপলক্ষে শহরের নানা প্রান্ত থেকে মানুষের ঢল নেমেছিল অলিম্পিক পার্কে। ৮০ হাজার ধারণক্ষমতার স্টেডিয়াম কানায় কানায় পূর্ণ ছিল। এতো দর্শক আগে কখনো দেখেনি এশিয়ান কাপ।

যেখানে প্রায় ৯৫ শতাংশ দর্শকই ছিল অস্ট্রেলিয়ার। হলুদ রঙে রঙিন হয়ে উঠেছিল গ্যালারি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হলুদ সমুদ্রের গর্জন থামিয়ে জাপানই হাসল শেষ হাসি। কান্নায় ভেঙে পড়েল অজি নারীরা।

ইতিহাসের দিক থেকে জাপান এগিয়ে থাকলেও শক্তিতে দুই দল ছিল প্রায় সমানে সমান। বলা যায় স্বাগতিকেরাই ছিলেন বেশি প্রাণবন্ত। তবে যা হওয়ার হয়ে গেছে ১৭ মিনিটেই।

ডি-বক্সের ৫ মিটার দূর থেকে চমৎকার টার্ন নিয়ে জোরালো শট নেন মাইকা হামানো। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক ম্যাকেঞ্জি আর্নল্ড ডাইভ দিয়েও নাগাল পাননি, জালে জড়ায় বল।

আর এই এক গোলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। এরপর ম্যাচে ফিরতে মরণকামড় দিয়েও জাপানের রক্ষণদেয়াল ভাঙতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। গোল হতে হতেও হয়নি দু-তিনবার।

একদম শেষ মুহূর্তে এলি কার্পেন্টারের ক্রস থেকে আলানা কেনেডির হেডটি দুর্দান্তভাবে সেভ করেন জাপানি গোলরক্ষক আয়াকা ইয়ামাশিতা। তাতেই শেষ হয় অস্ট্রেলিয়ার আশা।