শিরোপা না জিতলেও মোটা অঙ্কের টাকা পাচ্ছে ব্রাজিল

ফিফার নির্ধারিত পুরস্কার কাঠামো অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট থেকে বেশ মোটা অঙ্কের পুরস্কারই পাচ্ছে কার্লো আনচেলত্তির দল। আগেভাগে বিদায় নিলেও বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৩১৬ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘরে তুলছে ব্রাজিল।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বেদনাহত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা
বেদনাহত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা |নয়া দিগন্ত

বিশ্বকাপে প্রত্যাশার তুলনায় অনেক আগেই থেমেছে ব্রাজিলের যাত্রা। শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয়ায় হেক্সা স্বপ্ন ভেঙেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। তবে আর্থিক দিক থেকে খুব একটা হতাশ হতে হচ্ছে না সেলেসাওদের।

ফিফার নির্ধারিত পুরস্কার কাঠামো অনুযায়ী, টুর্নামেন্ট থেকে বেশ মোটা অঙ্কের পুরস্কারই পাচ্ছে কার্লো আনচেলত্তির দল। আগেভাগে বিদায় নিলেও বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৩১৬ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘরে তুলছে ব্রাজিল।

ফিফার ঘোষিত পুরস্কার কাঠামো অনুযায়ী, শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয়া প্রতিটি দল পাবে এক কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। এর বাইরে বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশ নেয়া সব দলকে আরো এক কোটি পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার দেয়া হচ্ছে।

এই অর্থের মধ্যে ১৫ লাখ ডলার দলগুলোর প্রস্তুতি ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়। ফলে অংশ নেয়া ভাতা ও শেষ ষোলো পর্যন্ত ওঠার পুরস্কার মিলিয়ে ব্রাজিলের মোট প্রাপ্তি দাঁড়াচ্ছে দুই কোটি ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার।

প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য প্রায় ১২৪ টাকা ধরে এর পরিমাণ দাঁড়ায় বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৩১৬ কোটি ২০ লাখ টাকা।

এবারের বিশ্বকাপে পুরস্কারের অর্থ আগের যেকোনো আসরের তুলনায় বেশ বাড়িয়েছে ফিফা। মোট ৭২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার পুরস্কার হিসেবে বিতরণ করছে, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় নয় হাজার ১৫ কোটি ৮০ লাখ টাকার সমান।

এই অঙ্ক ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। যেখানে শিরোপাজয়ী দল এবার পাবে পাঁচ কোটি মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৬২০ কোটি টাকা। রানার্সআপ দলের জন্য বরাদ্দ রয়েছে প্রায় ৪৭৫ কোটি টাকা।

তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে প্রায় ৪১৮ কোটি এবং চতুর্থ স্থান অধিকারী দলের প্রাপ্তি হবে প্রায় ৩৮৯ কোটি টাকা। এছাড়া, মোটা অঙ্কের পুরস্কার রয়েছে প্রতিটি দলের জন্যই।