‘আইডল’ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পাশে বসে গেলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এক পঞ্জিকাবর্ষে রিয়াল মাদ্রিদের জার্সি গায়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছুঁয়েছেন তিনি। সেই সাথে দলকে এনে দিয়েছেন ঘরের মাঠে অধরা জয়।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে টানা দুই হারের পর বছরের শেষ ম্যাচে জয়ের দেখা পেল রিয়াল মাদ্রিদ। শনিবার সেভিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় পেয়েছে লস ব্লাঙ্কোজরা। অন্য গোলটি করেন জুড বেলিংহাম।
আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমে উঠলেও গোলের জন্য বাড়ে অপেক্ষা। ৩৮ মিনিটে সেই ডেডলক ভাঙেন বেলিংহাম। ডান দিক থেকে রদ্রিগোর ক্রসে লাফিয়ে হেড নেন তিনি, স্কোর ১-০।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আরো জমে ওঠে লড়াই। দু’দলই পায় একের পর এক সুযোগ। একদিকে সেভিয়ার অ্যালেক্সিস সানচেস ও রোমেরোর শট আটকে দেন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।
অন্যদিকে এমবাপ্পের দু’টি প্রচেষ্টা ঠেকান সেভিয়ার গোলরক্ষক। ফরাসি তারকার আরো একটি হেড লাগে পোস্টে। তবে এর মাঝেই ৬৮তম মিনিটে আরেক ধাক্কা খায় সেভিয়া।
বেলিংহ্যামকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ডিফেন্ডার মার্কাও। ১০ জনের দলে পরিণত হয় তারা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচে আধিপত্য বাড়ে রিয়াল মাদ্রিদের।
আর নির্ধারিত সময়ের চার মিনিট বাকি থাকতে বক্সে রদ্রিগো ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় রিয়াল। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান জন্মদিনে ম্যাচ খেলতে নামা এমবাপ্পে, গড়েন দারুণ এক রেকর্ড।
রিয়ালের হয়ে এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছুঁয়েছেন তিনি (৫৯টি)। ২০১৩ সালে যে রেকর্ডটি গড়েছিলেন রোনালদো। গোলের পর অবশ্য রোনালদোর মতো করে ‘সিউ’ উদযাপন করেন এমবাপ্পে।
এদিকে এই জয়ের পর ১৮ ম্যাচে ১৩ জয় ও ৩ ড্রয়ে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে বার্সার খুব কাছে এখন রিয়াল। এক ম্যাচ কম খেলে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা।



