কলম্বিয়ার আক্রমণঝড়েও গোলশূন্য প্রথমার্ধ, কঙ্গোর ভরসা এমপাসি

বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে দক্ষিণ আমেরিকার দল কলম্বিয়া। বলের দখল, আক্রমণ এবং সুযোগ সৃষ্টিতে প্রতিপক্ষের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে ছিল তারা। তবে শেষ পর্যন্ত ডিআর কঙ্গোর রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় হতাশ হতে হয়েছে কলম্বিয়ানদের।

ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কলম্বিয়া। অন্যদিকে দুর্দান্ত রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসির অসাধারণ নৈপুণ্যে গোলশূন্য সমতা ধরে রেখে বিরতিতে গেছে ডিআর কঙ্গো।

বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে দক্ষিণ আমেরিকার দল কলম্বিয়া। বলের দখল, আক্রমণ এবং সুযোগ সৃষ্টিতে প্রতিপক্ষের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে ছিল তারা। তবে শেষ পর্যন্ত ডিআর কঙ্গোর রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় হতাশ হতে হয়েছে কলম্বিয়ানদের।

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল কলম্বিয়া। বক্সের ভেতর থেকে জন আরিয়াসের নেয়া শক্তিশালী শট দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি। এর পর থেকেই যেন একাই দলের রক্ষাকবচ হয়ে ওঠেন তিনি।

অষ্টম মিনিটে দানিয়েল মুনিওজ বল জালে পাঠিয়ে কলম্বিয়া শিবিরে উল্লাস ছড়িয়ে দেন। তবে ভিএআর পর্যালোচনার পর অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করা হয়। ফলে হতাশ হতে হয় কলম্বিয়ান সমর্থকদের।

এরপরও আক্রমণের ধার কমায়নি কলম্বিয়া। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে তারা। কিন্তু প্রতিবারই বাধা হয়ে দাঁড়ান গোলরক্ষক এমপাসি। ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটের মধ্যেই অন্তত পাঁচটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেন তিনি।

প্রথমার্ধজুড়ে ডিআর কঙ্গো মূলত রক্ষণাত্মক কৌশলেই খেলেছে। মাঝেমধ্যে পাল্টা আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করলেও কলম্বিয়ার ডিফেন্স তাদের বড় কোনো সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি। তবে নিজেদের জাল অক্ষত রাখতে সফল হয়েছে আফ্রিকার দলটি।

প্রথম ৪৫ মিনিট শেষে গোলশূন্য সমতা বিরাজ করছে ম্যাচে। এই ফলাফলে তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে থাকার কথা ডিআর কঙ্গোর, কারণ কলম্বিয়ার অবিরাম আক্রমণের মুখেও তারা গোল হজম করেনি। অন্যদিকে দ্বিতীয়ার্ধে জয় পেতে হলে সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতা বাড়াতে হবে কলম্বিয়াকে।

এদিকে প্রথমার্ধের সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম নিঃসন্দেহে ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি। তার একের পর এক দুর্দান্ত সেভই দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছে এবং কলম্বিয়ার আক্রমণভাগকে বারবার হতাশ করেছে। দ্বিতীয়ার্ধেও তার পারফরম্যান্স ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।