মেসির পেছনে বছরে প্রায় হাজার কোটি টাকা খরচ ইন্টার মায়ামির

মেসির আগমন ক্লাবটির আর্থিক অবস্থাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দিয়েছে। ২০২২ সালে যেখানে মায়ামির মোট আয় ছিল প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলার, গত মৌসুমে তা বেড়ে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক
লিওনেল মেসি
লিওনেল মেসি |ইন্টারনেট

লিওনেল মেসিকে দলে রাখতে বেশ মোটা অঙ্কের অর্থ খসাতে হচ্ছে ইন্টার মায়ামিকে। জানা গেছে বিভিন্ন বোনাস ও বিবিধ সুবিধাসহ প্রায় এক হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে তার পেছনে।

ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে ক্লাবের সহ-মালিক হোর্হে মাসের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, বেতন, বিভিন্ন বোনাস ও ইকুইটি সুবিধা মিলিয়ে মেসির পেছনে বছরে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়।

বাংলাদেশী মুদ্রায় (১ ডলার=১২২ টাকা) যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৮৫৪ কোটি থেকে ৯৭৬ কোটি টাকা।

তবে তাতে কোনো আক্ষেপ নেই ক্লাব মালিকদের। বরং মেসির পেছনে এই ব্যায়কে যৌক্তিক হিসেবে দেখছেন তারা। এই প্রসঙ্গে হোর্হে মাস বলেন ‘মেসি প্রতিটি পয়সারই যোগ্য।’

কেননা মেসির আগমন ক্লাবটির আর্থিক অবস্থাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দিয়েছে। ২০২২ সালে যেখানে মায়ামির মোট আয় ছিল প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলার, গত মৌসুমে তা বেড়ে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

অর্থাৎ মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে ক্লাবটির আয়ে প্রায় চার গুণের মতো বৃদ্ধি ঘটেছে। আর এই আয়ের বড় অংশই আসে স্পনসরশিপ ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তি থেকে।

মোট আয়ের প্রায় ৫৫ শতাংশই এই খাত থেকে আসে বলে জানা গেছে। ক্লাব কর্তৃপক্ষের মতে, মেসির উপস্থিতি এবং তার বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তাই এই বাণিজ্যিক সাফল্যের অন্যতম প্রধান কারণ।

সব মিলিয়ে, মায়ামির হয়ে মাঠে মেসির উপস্থিতি শুধু ক্লাবটির আয়ই বাড়ায়নি, বরং যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ফুটবল ও মেজর লিগ সকারের বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকেও নতুন মাত্রা দিয়েছে।