বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর কাঠগড়ায় ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি

ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিল যখন পেনাল্টি পায়, তখন মাঠেই ছিলেন না নেইমার, থিয়াগো ও রাফিনিয়া। যে কারণে ব্রুনোর কাছেই চলে যায় পেনাল্টি শটের দায়িত্ব।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা ব্রুনো গিমারায়েস
ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা ব্রুনো গিমারায়েস |নয়া দিগন্ত

ভাইকিংস জুজু কাটেনি ব্রাজিলের। নরওয়ের কাছে হেরে শেষ হয়েছে তাদের বিশ্বকাপ মিশন। সেলেসাওদের এমন আকস্মিক বিদায়ে কাঠগড়ায় ব্রুনো গিমারায়েস।

ডি-বক্সে ফাউলের শিকার মাতেউস কুনিয়া। ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি পেয়ে গেল ব্রাজিল। স্পটের কাছে বল নিয়ে কিছুক্ষণ আলাপ করলেন ভিনিসিউস জুনিয়র ও ব্রুনো গিমারায়েস।

পরে ব্রুনোর কাছে বল দিয়ে সরে এলেন ভিনিসিউস! সেই মুহূর্তটিই যেন কাল হয়ে গেল ব্রাজিলের জন্য। কারণ ভিনির কাছ থেকে বল পেয়ে পেনাল্টিতে শট করলেও, বল জালে পাঠাতে পারেননি ব্রুনো।

তাতে লিড নেয়ার দারুণ সুযোগ হাতছাড়া হয় ব্রাজিলের। যা শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হারের বড় কারণ হয়ে যায়। নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের তারা হেরেই বসে ২-১ গোলে।

ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের পরাজয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় সেই পেনাল্টি। সবার মনে প্রশ্ন, কেনো সুযোগ থাকতেও শট নেননি ভিনিসিউস। সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছে ব্রাজিল কোচকে।

কার্লো আনচেলত্তি জানান, পরিসংখ্যানে ভরসা করেছিলেন তারা।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ও প্রতিপক্ষ দলের গত এক বছরের পরিসংখ্যান নিয়ে বসেছিলাম আমরা। সেখানে আমাদের সেরা পেনাল্টি টেকার ছিলেন নেইমার, ইগো থিয়াগো, রাফিনিয়া। তাদের পরই ব্রুনো গিমারায়েস। এরপর গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি। আমরা গিমারায়েসকে বেছে নিয়েছি, কারণ মাঠে থাকাদের মাঝে সেই পেনাল্টিতে সেরা।’

ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিল যখন পেনাল্টি পায়, তখন মাঠেই ছিলেন না নেইমার, থিয়াগো ও রাফিনিয়া। যে কারণে ব্রুনোর কাছেই চলে যায় পেনাল্টি শটের দায়িত্ব।

গত মৌসুমে নিউ ক্যাসল ইউনাইটেডের হয়ে দুই শটের দু’টিতেই গোল করেন ব্রুনো। তবে তিনি দলের মূল পেনাল্টি টেকার ছিলেন না।

তবে অবাক করা বিষয় হলো, রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে ২০২৫-২৬ মৌসুমে সাতটি পেনাল্টি শট করে পাঁচটি গোল করেন ভিনিসিউস। বাকি দু’টিতে জালে বল পাঠানো হয়নি তার।

আর জাতীয় দলের হয়ে ২০২৩ সালে পাওয়া একমাত্র পেনাল্টিতেও গোল করেন ভিনিসিউস। তবুও তাকে না দিয়ে ব্রুনোকে পেনাল্টি নিতে বলার কারণেই এখন যত আলোচনার ঝড়।