ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ সিলেটের ফাহিম চৌধুরীর

সিলেট টাইটান্সের হারের পর ফ্র্যাঞ্চাইজির উপদেষ্টা ফাহিম চৌধুরী এক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে ফিক্সিং ও বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ তুলেছেন এবং বিষয়টি তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ম্যাচে কেউ সিলেটের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তবে নাম প্রকাশ করা হয়নি।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ফাহিম আল চৌধুরী
ফাহিম আল চৌধুরী |সংগৃহীত

এবারের বিপিএলে দারুণ সম্ভাবনা জাগিয়ে ফাইনালে খেলার দ্বারপ্রান্তে ছিল সিলেট টাইটান্স। ছিল শিরোপা জয়ের দৌড়েও। কিন্তু দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে হেরে সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে। বিপিএল থেকে বিদায় নিয়েছে তারা।

এমন বিদায়ের পর স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সবাই আশাহত। এরই মাঝেই নিজেদের এক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তুললেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির উপদেষ্টা ফাহিম আল চৌধুরী।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) মিরপুর স্টেডিয়ামে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সিলেট টাইটান্সের হারের পর এমন তথ্য প্রকাশ করেন ফাহিম। ফেসবুক লাইভে এসেন তিনি এক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক পারফরম্যান্সের অভিযোগ তোলেন।

তার কাছে প্রমাণ আছে দাবি করে এই ঘটনার শেষ দেখে ছাড়বেন বলেও মন্তব্য করেছেন ফাহিম। তিনি বলেন, ‘আপনাদের জন্য একটা শকিং নিউজ নিয়ে এসেছি। আমি কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাচ্ছি। আজকের ম্যাচটি আমাদের কাছে ভীষণভাবে কলুষিত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণাদি এসেছে যে ম্যাচের ভেতরে থাকা একজন ব্যক্তি নিজেকে বিক্রি করেছে। সে আমাদের সাথে মিথ্যা বলেছে। সিলেটের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণা করেছে। সিলেটের মানুষের আবেগের সাথে সে নিষ্ঠুরভাবে বেইমানি করেছে।’

এই ঘটনায় বেশ মর্মাহত। প্রয়োজনে সেই ক্রিকেটারকে তিনি টাকা দিতেন বলেও দাবি তার। বলেন, ‘এর কোনো দরকারই ছিল না। চাইলেই আমাকে বলতে পারত, তার কত টাকা প্রয়োজন তা দেয়া হয়ে যেত। এই ঘটনা আমাকে ভেঙে দিয়েছে। এই ঘটনা আমি এখানেই থামতে দেবো না।’

বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হবে দাবি করে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হবে এবং দায়ীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এই হার হার ছিল না। এটা পুরোটাই কম্প্রোমাইজ। ফিক্সিং ছিল। বেইমানি করা হয়েছে সিলেটের সঙে। তবে মানুষটা ভুল জায়গায় হাত দিয়ে দিয়েছে। সিলেটের আবেগের জায়গায় হাত দিয়ে দিয়েছে।’

তবে দলে থাকা কোন ক্রিকেটারের দিকে আঙুল ফাহিমের, তা এখনো জানা যায়নি।