হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় ফিরলেন বিশ্বকাপ জয়ী মার্টিন

‘মার্টিন এখন বাসায়। সৌভাগ্যক্রমে বাসায় যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে তাকে এবং বাসায় থেকেই পুরোপুরি সেরে উঠতে পারবে সে। সেরে ওঠার পথে তার শারীরিক অবস্থার অসাধারণ উন্নতি হয়েছে। তবে এ যাত্রায় আরো কিছু পথ পাড়ি দিতে হবে এবং পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে তাকে আরো কিছু কাজ করতে হবে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ডেমিয়েন মার্টিন
ডেমিয়েন মার্টিন |সংগৃহীত

মেনিনজাইটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর গোল্ড কোস্টের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটার ডেমিয়েন মার্টিন। অবশেষে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন মার্টিন। এমন খবরই দিয়েছেন মার্টিনের এক সময়ের সতীর্থ উইকেটরক্ষক-ব্যাটার এডাম গিলক্রিস্ট।

অস্ট্রেলিয়ান সংবাদ মাধ্যমকে গিলক্রিস্ট বলেন, ‘মার্টিন এখন বাসায়। সৌভাগ্যক্রমে বাসায় যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে তাকে এবং বাসায় থেকেই পুরোপুরি সেরে উঠতে পারবে সে। সেরে ওঠার পথে তার শারীরিক অবস্থার অসাধারণ উন্নতি হয়েছে। তবে এ যাত্রায় আরো কিছু পথ পাড়ি দিতে হবে এবং পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে তাকে আরো কিছু কাজ করতে হবে।’

হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরপরই কোমায় রাখা হয় ৫৪ বছর বয়সী মার্টিনকে। কোমা থেকে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠায় আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে নেয়া হয় তাকে। এরপর আর কিছু দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর বাসায় ফেরেন মার্টিন।

মার্টিনের অসুস্থতার পর সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তার স্ত্রী আমান্ডা বলেছিলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে যে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সমর্থন তারা পেয়েছেন, তা তার স্বামীর সুস্থ হয়ে ওঠায় বড় ভূমিকা রেখেছে।’

১৯৯২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৬৭ টেস্ট, ২০৮টি ওয়ানডে ও চারটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন মার্টিন। টেস্টে ১৩টি সেঞ্চুরি ও ২৩টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ৪৪০৬ রান, ওয়ানডেতে পাঁচটি সেঞ্চুরি ও ৩৭টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ৫৩৪৬ ও টি-টোয়েন্টিতে ১২০ রান করেন তিনি।

১৯৯৯ ও ২০০৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য ছিলেন মার্টিন। ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ফাইনালে খেলার সুযোগ পাননি তিনি। তবে ২০০৩ সালে ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে সাতটি চার ও একটি ছক্কায় ৮৪ বলে অপরাজিত ৮৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন মার্টিন। বাসস