মাঠের বাইরেই কেবল প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝাঁঝ, মাঠে একেবারেই পানসে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। বিশ্বমঞ্চে দুই দলের দ্বৈরথ মানেই পরিসংখ্যানের একপেশে গল্প। যেখানে হরদম পিছিয়ে পাকিস্তান।
ব্যতিক্রম হয়নি এবারো। কলম্বোতে আজ না ছিল কোনো উত্তেজনা, না ছিল রোমাঞ্চ। হেসেখেলেই পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিয়েছে ভারত। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের জয় ৬১ রানে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ভারত। যেখানে ৭ উইকেটে ১৭৫ রানের সংগ্রহ পায় তারা। জবাবে ১৮ ওভারে ১১৪ রানে গুটিয়ে গেছে পাকিস্তান।
রান তাড়ায় কোনো রান যোগ করার আগেই ফেরেন সাহিবজাদা ফারহান (০)। পরের ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নেন জাসপ্রিত বুমরাহ, সাইম আইয়ুব (৬) ও সালমান আগাকে (৪) ফেরান তিনি।
আশার বাতি হয়ে থাকা বাবর আজমও থিতু হতে পারেননি, ৭ বলে ৫ রান নিয়ে অক্ষর প্যাটেলের শিকার তিনি। ৫ ওভারে ৩৪ রানে ৪ উইকেট হারায় পাকিস্তান। যেখান থেকে আর বের হতে পারেনি তারা।
উসমান খান ছাড়া অবশ্য এরপর আর কেউই দাঁড়াতে পারেননি ভারতীয় বোলারদের সামনে। ৩৪ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এরপরও তিন অঙ্কে যাওয়া নিয়ে দেখা দেয় শঙ্কা।
৭৮ রানে ৭ ও ৯৭ রানে হারিয়ে ফেলে ৯ উইকেট। ইনিংস ১১৪ পর্যন্ত পৌঁছায় শাহিন আফ্রিদির ১৯ বলে ২৩ রানের কল্যাণে। এছাড়া শাদাব খান ১৪ ও ১০ রান করেন ফাহিম আশরাফ।
বল হাতে হার্দিক পান্ডিয়া, বুমরাহ, অক্ষর প্যাটেল ও বরুণ চক্রবর্তীর সবাই নেন ২টি করে উইকেট।
এর আগে ইশান কিষানের ব্যাটে ভর করে পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় সংগ্রহে ভিত পেয়ে যায় ভারত। তবে এরপর পাক বোলাররা ঘুরে দাঁড়ালে ৭ উইকেটে ১৭৫ রান তুলে শেষ হয় ভারতের ইনিংস।
কলম্বোতে রোববার টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই অভিষেক শর্মার (০) উইকেট হারায় ভারত। তবে এরপর তিলক বার্মাকে দর্শক বানিয়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন ইশান।
৮.৪ ওভারে ইশান যখন ফেরেন ১০ চার ৩ ছক্কায় ৪০ বলে ৭৭ করে, তিলকের রান তখন ৮ বলে ১১! তিলক আউট হন ১৪.২ ওভারে ২৪ বলে ২৫ করে। পরের বলেই ফেরেন হার্দিক পান্ডিয়া (০)।
পরপর দুই উইকেট হারিয়ে রানের গতি কমে আসে ভারতের। এরপর সূর্য কুমার যাদবের ২৯ বলে ৩২ ও শিভাম দুবের ১৭ বলে ২৭ রান কেবল বলার মতো স্কোর। শেষ দিকে ৪ বলে ১১* করেন রিংকু সিং।
বল হাতে সাইম আইয়ুব ২৫ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন সালমান আগা, শাহিন আফ্রিদি ও উসমান তারিক।



