রংপুরের খারাপ সময় দীর্ঘ হচ্ছে। আগের ম্যাচে নোয়াখালীর কাছে হারের পর এবার তারা ধরাশায়ী রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে। মোহাম্মদ ওয়াসিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর রেকর্ড জুটির কোনো জবাব ছিল না রংপুরের।
রোববার দিনের প্রথম ম্যাচে সিলেটে আগে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ১৭৮ রানের সংগ্রহ পায় রংপুর রাইডার্স। তবে বড় এই পুঁজি নিয়েও লড়াই করতে পারেনি তারা। রাজশাহী জিতেছে ১৯.১ ওভারে ৭ উইকেট হাতে রেখে।
রংপুরকে বড় রানের পুঁজি এনে দেন তাওহীদ হৃদয়। এদিন ওপেন করতে নেমে ৫৬ বলে ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। যা বিপিএলে তার সর্বোচ্চ ইনিংস। ৮ চার ও ৬ ছক্কায় সাজান এই ইনিংস।
এছাড়া ২৯ বলে ৪৪ করেন খুশদিল শাহ। ৫১ বলে ১০৫ রানের জুটি গড়েন তারা। বাকিদের আর কেউ রান পাননি। কাইল মায়ার্স ৮, লিটন দাস ১১ ও ১৫ বল খেলে মাত্র ৮ রান করেন ইফতেখার আহমেদ।
যা তাড়া করতে নেমে শুরুতেই তানজিদ তামিমের উইকেট হারায় রাজশাহী। ৭ বলে ৩ করে আউট হন তিনি। তবে এরপরই এবারের আসরের সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক শান্ত ও ওয়াসিম।
১৬ ওভার শেষে জুটি ভাঙার আগে দুজনে মিলে গড়েন ৮২ বলে ১৪২ রানের জুটি। যা ভাঙে শান্তর বিদায়ে। ৪২ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৬ রান করে মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার হন তিনি।
অবশ্য আউট হবার আগে আসরের সর্বোচ্চ রানের কীর্তি গড়েন শান্ত। ৭ ইনিংসে তার রান ২৮৭। শান্ত আউট হলেও অন্যদিকে ৭ চার ৪ ছক্কায় ৫৯ বলে ৮৭ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে দলকে জেতান ওয়াসিম।
শেষ দিকে নেমে জিমি নিশাম সুবিধা করতে পারেননি। আউট হন ২ বলে ১ রান করে। বিপিএলের অভিষেকটা স্মরণীয় হলো না তার।



