ম্যাচটা ছিল বাংলাদেশের জন্য বাঁচা-মরার। সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে জিততেই হতো যুবা টাইগারদের। তবে এই সমীকরণ মেলাতে পারেনি, স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় পুড়েছে তারা।
ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৩৮.১ ওভারে মাত্র ১৩৬ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। জবাবে ১৫৫ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
ফলে বাড়ল শিরোপা পুনরুদ্ধারের অপেক্ষা। ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতে বাংলাদেশ। তবে এরপর টানা তিনটি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠার আগেই বিদায় নিলো জুনিয়র টাইগাররা।
সোমবার বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবের মাঠে আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই জাওয়াদ আবরারের(০) উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর ৬৪ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়েন আজিজুল হাকিম তামিম ও রিফাত বেগ।
দলীয় ৫৩ রানে রিফাত (৩১) ফিরলে ভাঙে এই জুটি। আর এরপরই শুরু টাইগারদের ব্যাটিং ধস। এক শ’ রানের আগেই ৫ উইকেট হারায় টাইগাররা। পরের ৪৬ রান তুলতে হারায় বাকি ৫ উইকেট।
রিফাত ৩৬ বলে ৩১, আজিজুল হাকিম তামিম ৪৬ বলে ২০, আব্দুল্লাহ ৩৪ বলে ২৫, কালাম সিদ্দিকী ২৭ বলে ১০ ও শাহরিয়ার আহমেদ ৩২ বলে ১৮ রান করেন।
শেষ পর্যন্ত ৩৮.১ ওভারে ১৩৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের হয়ে সেবাস্তিয়ান মরগান নেন ৩ উইকেট। এছাড়া রালফি আলবার্ট ও ম্যানি লুমসডেন নেন ২টি করে উইকেট।
লক্ষ্য তাড়ায় ইংল্যান্ডের শুরুটাও ভালো হয়নি। শুরুতেই জোসেফ মুরেসের উইকেট হারায় তারা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৪০ বলে ৩৬ রান যোগ করেন ডাউকিন্স ও বেন মায়েস।
২৯ বলে ২৭ রান করা ডাউকিন্সকে ফেরান আল ফাহাদ। এরপর থমাস রেউকে নিয়ে জুটি গড়েন মায়েস। দু’জনে স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ৬৮ বলে ৭৮ রান।
৫০ বল খেলে ৩৪ রান করে ফেরেন মায়েস। এরপর হাল ধরেন থমাস রেউ। ৫০ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক। বাংলাদেশের হয়ে আল ফাহাদ ২টি ও সামিউন বশির নেন ১টি উইকেট।
ম্যাচ হেরে সুপার সিক্স থেকে বিদায়ঘণ্টা বেজে যায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। ৩১ জানুয়ারি হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আরেকটি ম্যাচ আছে বাংলাদেশের।



