বিশ্বকাপে না খেলার দুঃসহ স্মৃতি ভুলে বাংলাদেশ দল যখন মাঠে ফেরার অপেক্ষায়, তখন আবারো আলোচনায় সাকিব আল হাসান। বিসিবির সাথে দূরত্ব কমছে তার।
সাকিব যদিও এখন আর জাতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ নয়, তবে সাকিবের অভাব বেশ ভালোই অনুভব করে থাকে দল। বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারকে মিস করেন সমর্থকেরাও। এবার সেই সমর্থকদের সুসংবাদ দিলেন বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান আসিফ আকবর। জানালেন, খুব দ্রুত সময়ের মাঝে দেশের ক্রিকেটে ফিরছেন সাকিব।
ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও বিসিবির যৌথ উদ্যোগে চলছে তার নামে থাকা মামলা নিষ্পত্তির কাজ। বুধবার কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে এমন তথ্য দিয়েছেন তিনি।
২০২৪ সালের আগস্টে হাসিনা সরকারের পতনের পর সাকিব আর দেশে ফেরেননি। এর মাঝে তার নামে হত্যা মামলাসহ, দুর্নীতির আরো বেশ কয়েকটি অভিযোগ উঠে, জারি হয় গ্রেফতারি পরোয়ানা।
ফলে তার দেশে না ফেরা নিশ্চিতই ছিল একপ্রকার। তবে সম্প্রতি তার জাতীয় দলে ফেরার বিষয়ে জোরাল আলোচনা হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যা পেয়েছে ভিন্ন মাত্রা।
জানা গেছে, সাবেক টাইগার অধিনায়কের নামে থাকা মামলাগুলো নিয়েও কথা চলছে নীতিনির্ধারণী মহলে। তাতে সাকিবের প্রত্যাবর্তনের প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে।
এই প্রসঙ্গে আসিফ বলেন, ‘সাকিবকে ঘিরে যে বিষয়টি রয়েছে, তা নিয়ে আমাদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বিষয়টি এখন মন্ত্রণালয়ের পর্যায়ে আছে ও তারা এ নিয়ে কাজ করছে। পাশাপাশি বিসিবির লিগ্যাল টিমও সক্রিয়ভাবে কাজ করছে যাতে সাকিবের আইনগত জটিলতাগুলো দ্রুত সমাধান করা যায়। মন্ত্রণালয় ও বিসিবি সমন্বিতভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা খুবই আশাবাদী, অল্প সময়ের মাঝেই সাকিব আল হাসানকে আবার বাংলাদেশের ক্রিকেটে দেখতে পাব। দেশের কোটি ভক্তের মতো আমরাও তার প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় আছি।’
তবে সেসব মামলার নিষ্পত্তি পাকিস্তান সিরিজের আগে শেষ হচ্ছে না। ফলে আসন্ন এই সিরিজ দিয়ে তার ফেরা হচ্ছে না। তাছাড়া দীর্ঘদিন দল থেকে দূরে থাকায় আছে ফিটনেস সমস্যাও।
সব মিলিয়ে সূত্র বলছে, পাকিস্তান সিরিজে দল ইতোমধ্যেই প্রস্তুত হয়ে গেছে। সাকিবের নাম সেখানে নেই নিশ্চিতভাবেই।



