বাংলাদেশকে ঘুরে দাঁড়ানোর উপলক্ষ এনে দিলেন শেখ মেহেদী। একই ওভারে ফেরালেন টেক্টর ভ্রাতৃদ্বয়কে। পরের ওভারে নেন আরো এক উইকেট। বিশেষ করে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা টিম টেক্টরকে ফিরিয়ে স্বস্তি ফেরান টাইগার শিবিরে।
টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী হয়ে উঠে আয়ারল্যান্ড। প্রথম ওভার থেকেই বাংলাদেশের ওপর চড়াও হন পল স্টার্লিং ও টিম টেক্টর। মাত্র ২৫ বলেই পেরিয়ে যায় ৫০ রানের গণ্ডি।
আগের ম্যাচে বড় পুঁজি পেয়েছিল আইরিশরা, আজ (শনিবার) চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও সেই পথেই হাঁটছে তারা। পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে তুলে ৭৫ রান। একমাত্র উইকেটটি আসে ৪.৪ ওভারে।
পল স্টার্লিংকে ফেরান তানজিম সাকিব। যদিও সেই ওভারেও এসেছে ১৪ রান। স্টার্লিং আউট হন ১৪ বলে ২৯ করে সাইফ হাসানের দারুণ ক্যাচের শিকার হয়ে। দ্বিতীয় উইকেটের পতন হয় ৮.১ ওভারে, ৮৮ রানে।
শেখ মেহেদীর আর্ম ডেলিভারিতে ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলার চেষ্টায় স্টাম্পিং হয়েছেন টিম। ২৫ বলে ৩৮ রান করেছেন তিনি। একই ওভারের পঞ্চম বলে হ্যারি টেক্টরকেও (১১) ফিরিয়েছেন তিনি।
দ্রুত ২ উইকেট হারানোর পর কিছুটা গতি কমেছে আয়ারল্যান্ডের ইনিংসে। তবে এর মাঝেই ১১ ওভারে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছায় আয়ারল্যান্ড। একই ওভারে আরো একটি উইকেট হারায় তারা, ফেরান বেঞ্জামিন ক্লেটিজকে (৭)।
১১ ওভার শেষে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১০৫ রান। মাঠে আছেন লরকান টাকার ও জর্জে ডকরেলকে।
উল্লেখ্য, প্রথম ম্যাচ হেরে বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে খাদের কিনারে, পা ফসকালেই শেষ সিরিজ জয়ের স্বপ্ন। তবে আইরিশদের জন্য সুযোগ এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করার। যা নিশ্চয়ই হতে দিতে চাইবে না টাইগাররা।
আজ একাদশে ৩ পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। যেখানে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দীন, নুরুল হাসান সোহান ও শেখ মেহেদী। বাদ পড়েছেন জাকের আলী, রিশাদ হোসেন ও শরিফুল ইসলাম।



