বিপিএল

চট্টগ্রামকে হতাশায় ডুবিয়ে দ্বিতীয়বার শিরোপা জয় রাজশাহীর

তানজিদ তামিমের সেঞ্চুরিতে জয়ের ভিত আগেই পেয়েছিল রাজশাহী। ১৭৫ রানের পুঁজি মিরপুরে বড় চ্যালেঞ্জিং বটে। যেই চ্যালেঞ্জ জিততে পারল না চট্টগ্রাম। জিততে দেননি বিনুরা ফার্নান্দো ও হাসান মুরাদ।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলো রাজশাহী
দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলো রাজশাহী |সংগৃহীত

অপেক্ষা ফুরালো না চট্টগ্রামবাসীর। পাওয়া হলো না ‘চ্যাম্পিয়ন’ হওয়ার স্বাদ। তাদের হতাশায় মুড়িয়ে শিরোপা পুনরুদ্ধার করলো রাজশাহী। দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করলো তারা।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। আগে ব্যাট করে তাদের করা ৪ উইকেটে ১৭৪ রানের বিপরীতে ১৭.৫ ওভারে ১১১ রানে গুটিয়ে গেছে চট্টগ্রাম।

তানজিদ তামিমের সেঞ্চুরিতে জয়ের ভিত আগেই পেয়েছিল রাজশাহী। ১৭৫ রানের পুঁজি মিরপুরে বড় চ্যালেঞ্জিং বটে। যেই চ্যালেঞ্জ জিততে পারল না চট্টগ্রাম। জিততে দেননি বিনুরা ফার্নান্দো ও হাসান মুরাদ।

ধসের শুরুটা হয় তৃতীয় ওভার থেকেই। একই ওভারে নাইম শেখ (৯) ও মাহমুদুল হাসান জয়কে (০) ফেরান বিনুরা। এরপর তাহির বেগ হাসান নাওয়াজকে (১১) নিয়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও তা পেরে ওঠেননি।

সমান ১১ রান নিয়ে আউট হন উইকেট কিপার জাহিদুজ্জামান। আর মাত্র ৪ রান করা শেখ মেহেদীকে থামান হাসান মুরাদ। ১৪ ওভারে ৯২ রানে ৬ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন তাহির বেগ।

শেষ দিকে কেবল আসিফ আলী (১৬ বলে ২১) বলার মতো রান পেয়েছেন। বিনুরা ৯ রানে ৪ ও হাসান মুরাদ ১৫ রানে নেন ৩ উইকেট।

এর আগে ফাইনালে আগে ব্যাট করতে নেমে অনবদ্য এক সেঞ্চুরি করেন তামিম। ৬২ বলে ১০০ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। তার সেঞ্চুরিতে ভর করেই ১৭৪ রান করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

২০২৪ বিপিএলে খুলনার বিপক্ষে চট্টগ্রামের হয়ে ৬৫ বলে ১১৬ ও ২০২৫ আসরে ঢাকার হয়ে রাজশাহীর বিপক্ষে ৬৪ বলে ১০৮ রান করেন তামিম। আজ ফাইনালে পেলেন নিজের তৃতীয় বিপিএল সেঞ্চুরি।

বিপিএলে সর্বোচ্চ ৫ সেঞ্চুরি আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইলের। এরপরই আছেন তানজিদ তামিম। দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ও সব মিলিয়ে দ্বিতীয় সেরা সেঞ্চুরিয়ান এখন তানজিদ তামিম।

মিরপুরে আজ সাহিবজাদা ফারহানকে নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ১০.২ ওভারে ৮৩ রান তোলেন তামিম। সাহিবজাদা ফেরেন ৩০ বলে ৩০ রান করে। তবে তামিম ছিলেন আগ্রাসী, ২৯ বলে তুলে নেন ফিফটি।

এরপর কেন উইলিয়ামসনকে (২৪) নিয়ে আরো ৪৭ রান যোগ করেন তামিম। তামিম আউট হন ১৮.৫ ওভারে দলীয় ১৬৩ রানে। ৬ চার ও ৭ ছক্কায় এই ইনিংস গড়েন তিনি। জিমি নিশাম ৭ ও নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ১১ রান।