সেঞ্চুরির জবাব এলো সেঞ্চুরিতেই। হাসান ইসাখিলের শতকের বিপরীতে শতক হাঁকালেন তাওহীদ হৃদয়। জোড়া শতকের এই ম্যাচে শেষ হাসি রংপুরের। অন্যদিকে হার দিয়েই বিপিএল শেষ হলো নোয়াখালীর।
আগেই বিদায় নিশ্চিত হওয়া নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কাছে এই ম্যাচটি ছিল আনুষ্ঠানিকতার। তবুও শেষমেষ একটা জয় আসতে পারতো সান্ত্বনার। তবে সেই সুযোগ রাখেনি রংপুর, ম্যাচটা তারা জিতেছে ৮ উইকেটে।
অবশ্য হাসান ইসাখিলের অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরিতে বড় পুঁজিই পেয়েছিল নোয়াখালী। ২ উইকেটে করে ১৭২ রান। যেখানে ইসাখিলের রান ছিল ৪ চার ও ১১ ছক্কায় ৭২ বলে ১০৭* রান। ৩২ বলে ৪২* রান করেন হায়দার আলী।
১৭ ওভার শেষে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সংগ্রহ ছিল মাত্র ১১৫। ৫৯ বলে তখন ৬৭ রানে অপরাজিত ছিলেন ইসাখিল। তবে পরের ১৩ বলে ৪০ রান করেন তিনি। আর শেষ ১৮ বলে আসে ৫৮ রান। তাতেই বড় পুঁজি পায় নোয়াখালী।
রান তাড়ায় হেসেখেলেই জিতেছে রংপুর। ২ বল বাকি থাকতেই জিতেছে তারা। জয়ের নায়ক তাওহীদ হৃদয়। বিপিএল ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি, খেলেন ১৫ চার, ২ ছক্কায় ৬৩ বলে ১০৯ রানের ইনিংস।
ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে হৃদয় ডেভিড মালানকে (১৭ বলে ১৫) দর্শক বানিয়ে ৮ ওভারে তোলেন ৭৮ রান। এরপর লিটন দাসের সাথে গড়েন ৬২ বলে ৮৭ রানের ইনিংস। যদিও দলকে জিতিয়ে ফেরা হয়নি তার।
লিটন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৩৫ বলে ৩৯ রান নিয়ে। ১৯.২ ওভারে লক্ষ্য স্পর্শ করে রংপুর। আসরে ১০ ম্যাচে যা দলটার ষষ্ঠ জয়। প্লে অফ অবশ্য নিশ্চিত করেছে আগেই।



