ভারত সিরিজ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা, আশাবাদী বিসিবি সভাপতি

দুই বোর্ডের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত সরকারি পর্যায়ের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে সিরিজটির ভবিষ্যৎ।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল
বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল |নয়া দিগন্ত

সূচি অনুযায়ী আর এক মাসেরও কম সময় পর বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ভারতের। তবে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টির সেই সিরিজ এখনো ঝুলে আছে অনিশ্চয়তায়। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালও এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না, যদিও সফরটি নিয়ে তিনি আশাবাদী।

বুধবার বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তামিম বলেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সাথে নিয়মিত যোগাযোগ চলছে এবং দুই বোর্ডের মধ্যে ই-মেইল আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে।’

তামিম বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমার কাছে এখনো নিশ্চিত কোনো খবর নেই। আমরা সবদিক থেকেই চেষ্টা করছি। আমি আশা করছি তারা আসবে। বাংলাদেশ-ভারত সিরিজের উত্তেজনা আলাদা। সমর্থক, ক্রিকেটার ও গণমাধ্যম—সবার কাছেই এটি বিশেষ। বাংলাদেশ খুবই নিরাপদ দেশ।’

তবে তামিম ইঙ্গিত দেন, বিষয়টি এখন শুধু দুই ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনেকটাই নির্ভর করছে দুই দেশের সরকারের ওপর। তিনি জানান, বিসিবির পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের সাথে তিনি ব্যক্তিগতভাবেও কথা বলেছেন। তবে কিছু বিষয় তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমি বিসিবির সভাপতি, কিন্তু আমারও একটি সীমা আছে, যা আমি অতিক্রম করতে পারি না। আমার দায়িত্বের মধ্যে যা সম্ভব, আমি করছি। সিরিজটির গুরুত্ব এবং এর সুফল সরকারের সংশ্লিষ্টদের কাছে তুলে ধরেছি। কিন্তু কিছু সিদ্ধান্ত আমার নিয়ন্ত্রণে নেই।’

বিসিবির বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি মাসে স্কটল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসির সভায় তামিম ইকবাল, আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ এবং বিসিসিআই কর্মকর্তাদের মাঝে বাংলাদেশ সফর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতীয় বোর্ড সফর নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে শেষ পর্যন্ত সরকারি পর্যায়ের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে সিরিজটির ভবিষ্যৎ।

সময়ের চাপের কথা উল্লেখ করে তামিম বলেন, ‘খুব দ্রুতই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে। এখন পর্যন্ত যেসব আলোচনা হয়েছে, সেগুলো খুবই ইতিবাচক। তবে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সিরিজ হবে কি হবে না, খুব শিগগিরই আমরা জেনে যাব। বিষয়টি আর দীর্ঘায়িত হবে না।’