তিন শ’ ছোঁয়া রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই জোড়া উইকেট হারিয়েছিল আফগানিস্তান। তবে সেই ধাক্কা সামলে এরপর যে ব্যাটিং প্রদর্শনী দেখাল দলটি, তাতে শেষ পর্যন্ত রেকর্ড গড়া জয় পেয়েছে দলটি।
বেলফাস্টে শনিবার আয়ারল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে আফগানিস্তান। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ৪-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে তারা। অন্য ম্যাচটা পরিত্যক্ত হয়।
প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৯৮ রান সংগ্রহ করে আয়ারল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৯৬ রান করেন কার্টিস ক্যাম্ফার। ৮৪ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৭ চার ও ৪ ছক্কায়। হ্যারি টেক্টর করেন ৫৩ রান।
জবাবে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি আফগানিস্তানের। মাত্র ২২ রানেই হারায় ২ উইকেট। তবে এরপর ম্যাচের চিত্রই বদলে দেন রেহমাত শাহ ও সেদিকউল্লাহ আটাল। তৃতীয় উইকেটে ২১০ বলে ২০১ রানের জুটি গড়েন তারা।
ওয়ানডেতে তৃতীয় উইকেটে এটিই আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ জুটি। এর আগে এই রেকর্ড ছিল রেহমাত শাহ ও হাশমাতউল্লাহ শাহিদির দখলে। ২০২১ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষেই তারা গড়েছিলেন ১৮৪ রানের জুটি।
আগের ম্যাচে ১৪৩ রান করা সেদিকউল্লাহ এবারো সেঞ্চুরির খুব কাছে পৌঁছে যান। ১১২ বলে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৯৮ রান করে থামেন তিনি। তবে সেদিকউল্লাহর আক্ষেপ পুষিয়ে দেন রেহমাত।
১৩৩ বলে ১৩ চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত ১৪৩ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। এটি ওয়ানডেতে রেহমাতের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি এবং ২০২১ সালের জানুয়ারির পর এই সংস্করণে তার প্রথম শতক।
ক্যারিয়ার সেরা এই ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতে। অন্যদকে শেষ পর্যন্ত ৪৩.ওভারেই ৪ উইকেট হারিয়ে ৩০২ রান করে জয় নিশ্চিত করে আফগানিস্তান।
এটি ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড। এর আগে ২০২৩ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৮৩ রান তাড়া করে জয় ছিল তাদের সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড।



