জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ‘হরর শো’ কাটাতে ওঝা হবেন কে

বাংলাদেশ হারারে টেস্টের প্রথম দিনে ব্যাটিং ও বোলিং দুই দিকেই ভেঙে পড়ায় বড় ধাক্কা খেয়েছে, যেখানে দল মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হয় এবং জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দল লিডের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। এখন ম্যাচে ফেরার জন্য দ্বিতীয় দিনে দ্রুত উইকেট তুলে নেয়াই বাংলাদেশের একমাত্র আশা।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

হারারে টেস্টের প্রথম দিনটা বাংলাদেশের জন্য যেন ছিল ‘হরর শো।’ ভয়াবহ ধসে বিধ্বস্ত ব্যাটিং, নখদন্তহীন ধারহীন বোলিং- দুইয়ে মিলে বলা যায় বিভীষিকার একটি দিন পাড় করেছে টাইগাররা।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রোববার সিরিজের প্রথম দিনেই এতটা বাজেভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল, এখান থেকে আর ম্যাচে ফেরাই কঠিন। শুধু কঠিন নয়, অসম্ভবও বলা যায়।

বাংলাদেশের করা ১৪০ রানের বিপরীতে স্বাগতিকদের লিড নিতে চাই আর মাত্র ৪ রান। অন্যদিকে ম্যাচে ফিরতে হলে ৯ উইকেট তুলতে হবে বাংলাদেশকে। যা মোটেও সহজ হবে না।

এমতাবস্থায় কাঁটা দিয়েই তুলতে হবে কাঁটা। অর্থাৎ অবিশ্বাস্য কিছুই করতে হবে টাইগার বোলারদের। দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই চেপে ধরতে হবে জিম্বাবুয়েকে। সকাল সকাল তুলে নিতে হবে বেশ কয়েকটি উইকেট।

দিনের শুরুতে জিম্বাবুয়েকে চেপে না ধরা গেলে, সংগ্রহ কোথায় পৌঁছাবে বলা কঠিন। দেখা যাক নতুন দিনে কী করতে পারেন তাইজুল-এবাদতরা। হতে পারবেন কি হারারের হরর দূর করার ওঝা?

উল্লেখ্য, হারারেতে প্রথম দিনে বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ১৪০ রানে। এক পর্যায়ে রান ছিল ২ উইকেটে ১১৩। ৬০ রান করা মুমিনুল হকের বিদায় দিয়ে শুরু হয় উল্টো যাত্রার। ২৭ রানেই পতন হয় ৮ উইকেটের!

তাওহীদ হৃদয় ও অমিত হাসানকে টেস্ট ক্যাপ তুলে দিয়ে সাত বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যানের একাদশ সাজায় বাংলাদেশ। কিন্তু মুমিনুল ছাড়া ব্যর্থ সবাই। শেষ সাত ব্যাটসম্যানের কেউ তো দুই অঙ্ক ছুঁতেও পারেননি।

জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরা সেই ভুল করেননি। উদ্বোধনী জুটিই দলকে দারুণ ভিত গড়ে দেয়। প্রথম দিন শেষে তাদের রান ১ উইকেটে ১৩৬। ইনোসেন্ট কাইয়া আপরাজিত ৭৬ রানে।