বিশ্বকাপের উন্মাদনার মাঝেই জিম্বাবুয়েতে টাইগারদের টেস্ট মিশন

সবশেষ ২০২৫ সালে টেস্ট সিরিজে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। সেই সিরিজের প্রথম টেস্টে চমক দেখিয়ে জিতেছিল স্বাগতিকরা। যদিও দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে বাংলাদেশ। এবার জিম্বাবুয়ের মাটিতে সেই হারের জবাব দেয়ার সুযোগ টাইগারদের সামনে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

চারদিকে এখন ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা। তবে এরই মধ্যে নতুন এক মিশনে নামছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। দীর্ঘ চার বছর পর টেস্ট সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে গেছে টাইগাররা।

রোববার শুরু হবে দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্ট। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। বেলা দেড়টায় শুরু হবে খেলা।

সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানিয়েছেন, এই সফরে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল জিম্বাবুয়ের কন্ডিশনের সাথে দ্রুত মানিয়ে নেয়া। তবে সেই পরীক্ষায় দল সফল হয়েছে বলেই বিশ্বাস তার।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সীমিত ওভারের সিরিজ চলাকালেই টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্যদের একটি অংশ জিম্বাবুয়েতে পৌঁছে যায়। আগেভাগে গিয়ে অনুশীলনের সুযোগ পাওয়ায় প্রস্তুতিতে বাড়তি সুবিধা পেয়েছে বাংলাদেশ।

বিসিবির পাঠানো ভিডিও বার্তায় শান্ত বলেন, ‘আমরা বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় আগে এসেছি। ফলে কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেয়ার কাজটা ভালোভাবেই হয়েছে। যারা পরে এসেছে, তারাও গত কয়েক দিনের অনুশীলনে অনেকটাই মানিয়ে নিয়েছে। আশা করছি, ম্যাচে এ নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না।’

প্রস্তুতি নিয়েও সন্তুষ্ট বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার ভাষায়, ‘এখানে যতটুকু সুযোগ-সুবিধা ছিল, তার মধ্যেই আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়ার চেষ্টা করেছি। সবাই আত্মবিশ্বাসী। গত কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এখানেও ভালো কিছু করতে চাই।’

সবশেষ ২০২৫ সালে টেস্ট সিরিজে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। সেই সিরিজের প্রথম টেস্টে চমক দেখিয়ে জিতেছিল স্বাগতিকরা। যদিও দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে বাংলাদেশ। এবার জিম্বাবুয়ের মাটিতে সেই হারের জবাব দেয়ার সুযোগ টাইগারদের সামনে।

তবে শুধু সিরিজ জয় নয়, সামনের কঠিন বিদেশ সফরগুলোর প্রস্তুতির দিকেও নজর রয়েছে শান্তর। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ম্যাচ জেতা এবং ভালো ক্রিকেট খেলা। কারণ এই সিরিজের পরই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সফর রয়েছে।’

‘এখানে ব্যাটসম্যান ও বোলাররা যদি ভালো করতে পারে, তাহলে সেটি সামনের সিরিজগুলোতেও আত্মবিশ্বাস যোগাবে। তাই শুধু ফল নয়, আমরা কতটা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’