আইসিসিকে বেশ চাপে ফেলে দিয়েছে পাকিস্তান। বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জনের পর ‘ম্যান ইন গ্রিনরা’ বয়কট করেছে ভারত ম্যাচ। সব মিলিয়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে এখন ক্রিকেটপাড়ায়।
পাকিস্তানের এমন কঠোর সিদ্ধান্ত হতচকিত করে দিয়েছে আইসিসিকে। বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে সংস্থাটি৷ ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকা লোকসান হতে পারে আইসিসির।
এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, এমতাবস্থায় কঠোর হতে পারে আইসিসি। পাকিস্তানকে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে নিষেধাজ্ঞাসহ দিতে পারে বড় কোনো শাস্তি। হতে পারে জরিমানাও।
তবে আইসিসির সাবেক চেয়ারম্যান এহসান মানি বলেছেন, পাকিস্তানের ‘টিকিটাও ছুঁতে পারবে না’ আইসিসি। যার কারণ হিসেবে সরকারি নির্দেশনাকে সামনে আনেন তিনি।
সেই সাথে ভারতও যে একই কাজ করেছে, সেটাও মনে করিয়ে দেন এহসান মানি। ২০২৫ সাকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বিসিসিআই পাকিস্তানে দল পাঠায়নি। সেই সিদ্ধান্ত আসে সরকারের কাছ থেকে। আইসিসি ওই সময় ভারতকে কোনো শাস্তি দেয়নি।
বিষয়টি উল্লেখ করে সম্প্রতি স্পোর্টস্টারকে এহসান মানি বলেন, ‘সরকারের নির্দেশ মেনে চললে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তি দেয়া যাবে না। ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানে গিয়ে খেলতে ভারত অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ঠিক এই ভিত্তিতেই।’
এরপর আইসিসির সমালোচনা করে মানি বলেন, ‘এখানে দ্বৈত মানদণ্ড চলতে পারে না। সমস্যার সমাধান না করে আইসিসি কেবল দর্শকের ভূমিকায় দাঁড়িয়ে আছে।’
সাবেক এই পিসিবি চেয়ারম্যান মনে করেন, এই পরিস্থিতি কার্যত সরকারগুলোর জন্য ক্রিকেটীয় সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপের দরজা খুলে দিয়েছে, বিশেষ করে যখন পিসিবি চেয়ারম্যান নিজেই পাকিস্তান সরকারের একজন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আপনি (আইসিসি) একটি দলের সাথে তার সরকারকে জড়িত করার দরজা খোলা রেখেছেন। বিশেষ করে যখন জানা আছে যে,পিসিবি চেয়ারম্যান বর্তমানে সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।’



