রেকর্ড গড়ে সিরিজ জয় পাকিস্তানের

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে রেকর্ড ৯০ রানে হারিয়ে ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিয়েছে পাকিস্তান। আগা ও উসমান খানের ফিফটি আর বোলারদের দাপটে ঘরের মাঠে প্রথমবার অজিদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়ল তারা।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৯০ রানের জয় পেয়েছে পাকিস্তান
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৯০ রানের জয় পেয়েছে পাকিস্তান |সংগৃহীত

প্রথম ম্যাচে জয়খরা কাটায় পাকিস্তান। প্রায় সাত বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে টি-টোয়েন্টিতে হারায় ‘ম্যান ইন গ্রিনরা’। এবার দ্বিতীয় ম্যাচে এসে রেকর্ড রানের জয় পেল তারা। অজিদের হারালো সবচেয়ে বড় ব্যবধানে।

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শনিবার সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৯০ রানের জয় পেয়েছে পাকিস্তান। তিন ম্যাচ সিরিজে টানা দুই জয়ে ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান।

তাতে ২০১৮ সালের পর প্রথমবার অজিদের টি-টোয়েন্টিতে সিরিজ হারাল পাকিস্তান। সেই সাথে নিজেদের ঘরের মাঠে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে সিরিজ হারানোর ইতিহাসও গড়ল তারা।

লাহোরে এদিন আগে ব্যাট করে অধিনায়ক আগা ও উসামন খানের ফিফটিতে ৫ উইকেটে ১৯৮ রানের বড় সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। জবাবে ১৫.৪ ওভারে ১০৮ রানে গুটিয়ে যায় অজিরা।

পাকিস্তানের হয়ে ঝড় তোলেন পাকিস্তান অধিনায়ক আগা। দুইয়ে নামা এই ব্যাটারের তাণ্ডবে পাওয়ার প্লেতে ৭২ রান তোলে পাকিস্তান। ২৫ বলে ফিফটি করেন আগা।

এর আগে ১১ বলে ২৩ রান করে আউটন হন সায়েম আইয়ুব। তবে চারে নামা বাবর আজম ছিলেন একবারে ব্যর্থ (২)। তবে ছন্দ ধরে রেখে খেলতে থাকেন সালমান, ১২.৫ ওভারে ৪০ বলে ৭৬ করে আউট হন তিনি।

এরপর দায়িত্ব নিজের কাঁধে নেন উসমান খান। আউট হওয়ার আগে করেন ৩৬ বলে ৫৩ রান। শাদাব খানকে নিয়ে গড়েন ৫৭ রানের জুটি। ২০ বলে ২৮ রানের ইনিংস খেলেন শাদাব।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই হাঁসফাঁস করতে থাকে অজিরা। পাওয়ার প্লেতে ৪৮ রান তুলতেই তিন ব্যাটার ফেরেন। মিচেল মার্শ ১৮, ট্র্যাভিস হেড ৪ ও জশ ইংলিস ৫ রান করে ফেরেন।

এরপর পাল্টা আক্রমণের পথ বেছে নেন ক্যামেরুন গ্রিন। তবে তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। ১০.৫ বল অস্ট্রেলিয়ার স্কোরবোর্ডে আসে ৭৬/৬। সর্বোচ্চ রান করা গ্রিন ২০ বলে ৩৫ করে আউট হন।

শেষ দিকে ২৩ বলে ২৭ করেন ম্যাথু শর্ট। যা কেবল হারের ব্যবধান কমায়। তিন ওভারে ১৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন আবরার। শাদাব খান ২৬ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।