দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, তার বিরুদ্ধে হচ্ছে তদন্ত— শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) হঠাৎ এমন একটা গুঞ্জন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তবে এটাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে জানিয়েছে বিসিবি। পাশাপাশি যারা এই তথ্য ছড়িয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছে সংস্থাটি।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) এক বিবৃতি দিয়ে বিসিবি এই তথ্য জানায়। তারা মনে করছে, বিসিবি সভাপতির সুনাম ক্ষুণ্ণ করা ও দেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে এই প্রচেষ্টা পরিকল্পিত।
জনগণকে যাচাইবিহীন তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায় বিসিবি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিসিবির দৃষ্টিগোচর হয়েছে যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা দাবি ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে বলা হচ্ছে বিসিবি সভাপতি মো: আমিনুল ইসলাম নাকি বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের স্বাধীন চেয়ারম্যান অ্যালেক্স মার্শালের তদন্তাধীন।’
‘বোর্ড দ্ব্যর্থহীনভাবে জানাচ্ছে যে এসব দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও মনগড়া। অ্যালেক্স মার্শাল নিজে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং লিখিতভাবে নিশ্চিত করেছেন যে এ ধরনের কোনো তদন্ত নেই।’
‘এ ধরনের ভ্রান্ত তথ্য প্রচার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। এসব কর্মকাণ্ড বিসিবি সভাপতির সুনাম ক্ষুণ্ণ করা এবং বোর্ড ও বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত প্রচেষ্টা বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।’
‘বিসিবি মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর থানায় জিডি দায়ের করা হয়েছে।’
বিবৃতিতে আরো যোগ করা হয়, ‘বোর্ড যেকোনো ধরনের মানহানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে অটল এবং বিসিবি, এর খেলোয়াড় বা কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে পরিচালিত এ ধরনের বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি অথবা প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জনসাধারণ ও গণমাধ্যমকে অনুরোধ জানাচ্ছে, যাচাইবিহীন কোনো তথ্য শেয়ার বা প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে এবং সঠিক তথ্যের জন্য শুধুমাত্র সরকারি/আনুষ্ঠানিক সূত্রের ওপর নির্ভর করতে।’



