মাশরাফি-রুবেলকে টপকে রেকর্ড বইয়ে রানা

এতদিন যৌথভাবে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন সাবেক দুই পেসার মাশরাফি বিন মর্তুজা ও রুবেল হোসেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
নাহিদ রানা
নাহিদ রানা |সংগৃহীত

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সেরা বোলিং ফিগারের রেকর্ড গড়লেন ডান-হাতি পেসার নাহিদ রানা।

হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে আজ থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শুরু হওয়া তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ১০ ওভার বল করে ২ মেডেনে ২১ রানে ৬ উইকেট নেন রানা। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে এখন এটিই সেরা বোলিং ফিগার।

এতদিন যৌথভাবে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন সাবেক দুই পেসার মাশরাফি বিন মর্তুজা ও রুবেল হোসেন।

দু’জনই ২৬ রানে ৬ উইকেট শিকার করেছিলেন।

২০০৬ সালে নাইরোবিতে কেনিয়ার বিপক্ষে ১০ ওভার বোলিং করে ২৬ রানে ৬ উইকেট নেন মাশরাফি। ওই ম্যাচ ৬ উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ।

সাত বছর পর মাশরাফির রেকর্ডে ভাগ বসান রুবেল। ২০১৩ সালে মিরপুরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ৫.৫ ওভার বল করে ২৬ রানে ৬ উইকেট নেন তিনি। রুবেলের দুর্দান্ত বোলিংয়ের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে বৃষ্টি আইনে ৪৩ রানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।

মাশরাফি-রুবেলের যৌথ রেকর্ড ভেঙ্গে ১৩ বছর পর বাংলাদেশের সেরা বোলিং ফিগারের নজির গড়লেন রানা।

ক্যারিয়ারের ১৪তম ম্যাচে এসে তৃতীয়বারের মতো ইনিংসে পাঁচ বা ততোধিক উইকেটের দেখা পেলেন রানা। এর আগেও দু’বার ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার করেন তিনি।

এ বছরের মার্চে মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭ ওভারে ২৪ রানে ৫ উইকেট নেন রানা। এরপর এপ্রিলে মিরপুরেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ ওভারে ৩২ রানে ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি।

২০২৪ সালের নভেম্বরে শারজাহতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে অভিষেক হয় ২৩ বছর বয়সী রানার। অভিষেক হওয়া বছরে ৩টি ও পরের বছর ২টি ওয়ানডে খেলেন তিনি। চলতি বছর ৯ ওয়ানডে খেলে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন রানা। এখন পর্যন্ত ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ১৪ ম্যাচ থেকে ৩১ উইকেট শিকার করেছেন তিনি।

রানা-মাশরাফি ও রুবেল ছাড়াও বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে ৬ উইকেট নিয়েছেন আরো তিন বোলার।

স্পিনার রিশাদ হোসেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩৫ রানে, পেসার মোস্তাফিজুর রহমান ভারতের বিপক্ষে ৪৩ রানে এবং শরিফুল ইসলাম অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৮ রানে ৬টি করে উইকেট নিয়েছেন। এই তিনটি ম্যাচের ভেন্যু ছিল মিরপুরে।

সূত্র : বাসস