নিউজিল্যান্ডের হারও সমীকরণের মারপ্যাঁচ থেকে বের করতে পারেনি পাকিস্তানকে। সেমিফাইনালে খেলতে হলে এখনো বেশ চ্যালেঞ্জিং পথ পাড়ি দিতে হবে তাদের। যা অসম্ভব নয়, তবে বেশ কঠিন।
সমীকরণ শেষ হয়ে যেতে পারতো গতরাতেই। সালমান আগারা ব্যাগপত্র গুছাতেও শুরু করেছিলেন কিনা কে জানে! তবে অবস্থা ছিল তেমনি, ইংল্যান্ডকে হারানোর পথেই ছিল কিউইরা।
ম্যাচ জিততে শেষ তিন ওভারে ৪৩ রান করতে হতো ইংলিশদের, হাতে ছিল যদিও ৪ উইকেট। তবে প্রেমাদাসার উইকেটে কাজটা মোটেও সহজ ছিল না। বরং জয়ের আভাসই পাচ্ছিল কিউইরা।
তবে এরপর খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেন উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ। দু’জনে মিলে মাত্র ১৬ বলেই মেলান সেই সমীকরণ। ৩ বল হাতে রেখেই ইংল্যান্ডকে জেতান ৪ উইকেটে।
দুর্দান্ত জয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে সেমিফাইনালে খেলতে নামবে ইংল্যান্ড। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ অথবা ভারত। তবে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে কারা খেলবে শেষ চারে- তা নিয়েই যত প্রশ্ন।
তিন ম্যাচে তিন পয়েন্ট নিয়ে এখনো সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে নিউজিল্যান্ড। আর এখন পর্যন্ত কোনো জয় না পাওয়া পাকিস্তানও বাঁচিয়ে রেখেছে আশা।
তবে সবটাই নির্ভর করছে পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের উপর। সেই ম্যাচ পাকিস্তান যদি হেরে যায় তাহলে ইংল্যান্ডের সাথে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠবেন স্যান্টনার-রাচিন রবীন্দ্ররা।
এমনকি পাকিস্তান জিতলেও সুযোগ আছে। যেখানে বড় ভূমিকা রাখবে রানরেট। বর্তমানে নিউজিল্যান্ডের রানরেট (+১.৩৯) ও পাকিস্তানের (-০.৪৬)। অর্থাৎ কঠিণ চাপে আছে পাকিস্তান।
পাকিস্তান যদি শ্রীলঙ্কার সাথে আগে ব্যাট করে ১৬০ রান করে, তাহলে ম্যাচটা জিততে হবে ৬৪ কিংবা তার চেয়ে বেশি রানে। অন্যথায় রানরেটে পিছিয়ে স্বপ্নভঙ্গ হবে।
আবার বিপরীতে শ্রীলঙ্কা যদি আগে ব্যাটিং করে ১৬০ রান তোলে এমন অবস্থায় ৪০ কিংবা তার চেয়ে বেশি বল হাতে রেখে জিততে হবে পাকিস্তানকে। যা বেশ কষ্টসাধ্য বলা যায়।
এখন দেখার বিষয় পাকিস্তান পারে কিনা এই চ্যালেঞ্জ উৎড়ে শেষ চারের টিকিট কাটতে। সেই লক্ষ্যেই অবশ্য আজ শনিবার পাল্লাকেলেতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান।


