বিশ্বমঞ্চে বরাবরই ‘ফেভারিট’ নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রতিটি বৈশ্বিক আসরে শক্তিশালী রূপে অংশ নেয় তারা। তবে ভাগ্য সহায় হয়নি, এখনো তাদের কোনো বিশ্বকাপ জেতা হয়নি।
এখন পর্যন্ত মোট চারবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে কিউইরা, কিন্তু শেষ চারের বাধা পেরিয়েছে মাত্র একবার, ২০২১ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলে নিউজিল্যান্ড।
অন্যদিকে তিনবার সেমিফাইনাল খেলেছে প্রোটিয়ারা। ২০০৯ ও ২০১৪ সালে শেষ চারে হারের পর ২০২৪ সালে পৌঁছে ফাইনালে। তবে ভারতের কাছে হেরে হাতছাড়া করে শিরোপা।
এবার নতুন ইতিহাস লেখার হাতছানি দু’দলের সামনেই। আরো একবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে এসেছে তারা। ফাইনালে ওঠার সুযোগ মিলেছে ফের, সুযোগ আছে শিরোপা জয়েরও।
তবে যেকোনো এক দলের শিরোপা স্বপ্ন বেঁচে থাকবে, অন্যদলকে নিতে হবে বিদায়। কেননা সেমিফাইনালে এবার একে অপরের মুখোমুখি তারা; নিউজিল্যান্ডের বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা।
কলকাতার বিখ্যাত ইডেন গার্ডেনে আজ বুধবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে এই দল। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গড়াবে খেলা।
এবারের বিশ্বকাপে অবশ্য দু’দল আছে ভিন্ন মেরুতে। একদিকে পুরো টুর্নামেন্টে দাপুটে প্রোটিয়ারা। অপরাজিত থেকে ওঠে এসেছে সেমিফাইনালে, ৭ ম্যাচের সবগুলোই জিতেছে তারা।
এমনকি পরাক্রমশালী স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষেও দাপুটে জয় পেয়েছে প্রোটিয়ারা। যা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে তাদের। এছাড়া ব্যাটে-বলে দলটার সবাই আছেন ছন্দে।
অন্যদিকে নানা উত্থান-পতন শেষে শেষ চারে জায়গা করে নেয় নিউজিল্যান্ড। গ্রুপ পর্ব কোনো রকমে পাড়ি দিলেও সুপার এইটে তাদের বেশ ভোগতে হয়, ভাগ্যের সহায়তায় উঠে এসেছে সেমিফাইনালে।
এবার ভাগ্যের আরেকটু সহায়তা পেলেই নতুন ইতিহাস গড়ার পথে এগিয়ে যাবে তারা। যদিও তা মোটেও সহজ হবে না, কোনো ছাড়ই দেবে না দক্ষিণ আফ্রিকা।
এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেও অবশ্য দেখা হয়েছিল দু’দলে। আমেদাবাদে সেই ম্যাচে ১৭৫ রান নিয়েও প্রোটিয়া কাছে ৭ উইকেটে হারতে হয়েছিল নিউজিল্যান্ডকে।
ফলে এই ম্যাচ মিচেল স্যান্টনারের দলের কাছে শুধু সেমিফাইনাল নয়, প্রতিশোধেরও সুযোগ। তবে পরিসংখ্যানকে পাশে পাচ্ছে না নিউজিল্যান্ড, মুখোমুখি দেখায় এগিয়ে প্রোটিয়ারাই।
টি-টোয়েন্টিতে ১৯ বারের দেখায় ১২ জয় দক্ষিণ আফ্রিকার। ৭ ম্যাচে জিতে নিউজিল্যান্ড। আর বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৫ দেখায় সবগুলোতেই জিতেছে প্রোটিয়ারা।



