বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো জিম্বাবুয়ে

নাহিদ রানার গতির মুখেও চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেল জিম্বাবুয়ে। বুলাওয়েতে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৭০ রান তুলেছে স্বাগতিকেরা। এই মাঠে এর আগে মাত্র একবার এত রান তাড়া করে জিতেছিল কোনো দল।

ক্রীড়া প্রতিবেদক
বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো জিম্বাবুয়ে
বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো জিম্বাবুয়ে |নয়া দিগন্ত

নাহিদ রানার গতির মুখেও চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেল জিম্বাবুয়ে। বুলাওয়েতে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৭০ রান তুলেছে স্বাগতিকেরা। এই মাঠে এর আগে মাত্র একবার এত রান তাড়া করে জিতেছিল কোনো দল।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই পায় জিম্বাবুয়ে। চতুর্থ ওভারে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার আগে আসে ৩৭ রান। ৯ বলে ১৪ রান করা মারুভানিকে ফেরান নাহিদ রানা। তবে ততক্ষণে থিতু হয়ে গেছেন ব্রেনেট।

এরপর ডিওন মায়ার্সকে সাথে নিয়ে ৯ ওভারে দলকে ৭৫ রানে পৌঁছে দেন তিনি। মায়ার্স ২০ বলে ২০ করে সাইফউদ্দিনের শিকার হন। তবে ব্রেনেট ছুটছিলেন ফিফটির দিকে। কিন্তু সেই আশা পূরণ হয়নি।

১০.৫ ওভারে নাহিদ রানার দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন ৩০ বলে ৪৪ রান করে। ৩ উইকেটে ৯১ রান নিয়ে ওভার শেষ করে জিম্বাবুয়ে। এরপর দলকে ১৩.৪ ওভারে ১১৬ পর্যন্ত নিয়ে যান সিকান্দার রাজা।

তবে ১৩ বলে ২০ রান করে সাইফউদ্দিনের দ্বিতীয় শিকার হয়ে থামেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক। এরপর জোড়া আঘাত আনেন রানা। ৩ ওভার শেষে তাঁর স্পেল দাঁড়ায় ৮ রানে ৪ উইকেট।

জিম্বাবুয়ের রান তখন ১৮ ওভারে ৬ উইকেটে ১৩৯। পরের ওভারে সাইফউদ্দিনের থেকে ৮ রান নেন ব্রাড ইভান্স ও রায়ান বার্ল মিলে। তবে শেষ ওভারে রানাকে ৪টি চার মারেন ইভান্স। তাতে বেড়ে যায় জিম্বাবুয়ের রান।

ইভান্স ১০ বলে ১৯ ও বার্ল ২৫ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন। ২৬ রানে ৪ উইকেট নেন নাহিদ রানা। ৩৫ রানে ২ উইকেট নেন সাইফউদ্দিন।

এখন চ্যালেঞ্জ ব্যাটারদের। দ্বিতীয় ইনিংসে এই মাঠে গড় রান ১৩২। ১৭০ রান তাড়া করে একবারই জিতেছিল জিম্বাবুয়ে, গত বছর নামিবিয়ার বিপক্ষে।