শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শনিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমে ব্যাট করে ২১২/৮ তোলে পাকিস্তান। সেমিফাইনালে উঠতে না পারলেও ম্যাচটি জিতে যায় বাবর-সালমানরা। এদিন শ্রীলঙ্কার বোলারদের শাসন করে খেলেছেন দেশটির দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান এবং ফখর জামান। এই ম্যাচে শতরান করেন ফারহান। পাশাপাশি বিরাট কোহলির রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছেন তিনি। ৯টি চার এবং ৫টি ছয়ের সাহায্যে ৬০ বলে ১০০ করে আউট হন ফারহান। তাদের ওপেনিং জুটিতেও রেকর্ড তৈরি হয়েছে।
শনিবারের ম্যাচে শুরু থেকেই চালিয়ে খেলতে থাকে পাকিস্তান। আক্রমণে পুরোভাগে ছিলেন ফারহানই। দ্বিতীয় ওভারে দুষ্মন্ত চামিরাকে চার মেরে শুরু। এরপর দাসুন শনাকা, মাহিশ থিকশানা, দুনিত ওয়েল্লালাগে— কাউকেই পরোয়া করেননি তিনি। ব্যক্তিগত ৩৭ রানের মাথায় টপকে যান ভারতের সাবেক অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে।
২০১৪-র বিশ্বকাপে ছয় ইনিংসে ৩১৯ রান করেছিলেন কোহলি। একটি বিশ্বকাপে সর্বাধিক রানের রেকর্ড ছিল এটিই। তা ভেঙে দিলেন ফারহান। তিনিও ছয়টি ইনিংসে এই কীর্তি গড়েছেন। কোহলির আগে এই রেকর্ড ছিল তিলকরত্নে দিলশানের। ২০০৯ বিশ্বকাপে তিনি ৩১৭ রান করেছিলেন। এ ছাড়া একটি বিশ্বকাপে ৩০০-র গণ্ডি পেরনোর রেকর্ড রয়েছে বাবর আজম (৩০৩, ২০২১) এবং মাহেলা জয়বর্ধনের (৩০২, ২০১০)।
গতকাল পাকিস্তানের ওপেনারদের শাসন এতটাই ছিল যে উইকেটই ফেলতে পারছিল না শ্রীলঙ্কা। ফারহান না ফখর, কে আগে শতরান করবেন, সেটারই ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। তবে ফখর শতরান পাননি। ৮৪ রানে তিনি চামিরার বলে আউট হন। ততক্ষণে আরো একটি রেকর্ড গড়ে ফেলেছে পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ওপেনিং জুটিতে সর্বাধিক রান তুলেছে তারা। এই বিশ্বকাপেই নিউজিল্যান্ডের টিম সেইফার্ট এবং ফিন অ্যালেন ওপেনিং জুটিতে ১৭৫ রান তুলেছিলেন। সেই নজির ভেঙে গেল এদিন। ফারহান-ফখরের কালকের জুটি ছিল ১৭৬ রানের।


