হতাশ লিটন দাস, কণ্ঠে লোয়ায় অর্ডার থেকে সাপোর্ট পাওয়ার আকুতি

লিটন দাস ও তাওহিদ হৃদয়ের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে দল। তবে তারা ফেরার পর ধস নামে ব্যাটিংয়ে। অবিশ্বাস্যভাবে শেষ দিকে মাত্র ১৬ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

Location :

Dhaka
লোয়ায় অর্ডারে হাতাশা
লোয়ায় অর্ডারে হাতাশা |নয়া দিগন্ত

সিরিজ শুরুর আগে লোয়ার অর্ডারদের কাছে প্রত্যাশার কথা জানিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। শেষ ম্যাচে মুখ থুবড়ে পড়ার পর লিটন দাস শোনালেন তাদের নিয়ে হতাশার কথা।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে শনিবার বাংলাদেশের টপ অর্ডার ভালো করতে পারেনি। প্রথম পাঁচ ওভারে পতন হয় তিন উইকেটের। এরপর অবশ্য মিডল অর্ডার আশা দেখায়।

লিটন দাস ও তাওহিদ হৃদয়ের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে দল। তবে তারা ফেরার পর ধস নামে ব্যাটিংয়ে। অবিশ্বাস্যভাবে শেষ দিকে মাত্র ১৬ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

বিষয়টা মানতে পারছেন না অধিনায়ক লিটন দাস। লোয়ার অর্ডারের এমন ব্যর্থতা হতাশ করেছে তাকে। ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে যে হতাশা লুকাতে পারলেন না অধিনায়ক।

বলেন, ‘প্রথম সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলাম, আমাদের লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের দায়িত্ব আছে, আমরা চাই তারা আমাদের ইনপুট দেবে ব্যাটিংয়ে। আজকে জায়গা ছিল, কিন্তু আবারো ব্যর্থতা।’

অলরাউন্ডারদের কথা সিরিজ শুরুর আগে সুনির্দিষ্ট করেই বলেছিলেন লিটন দাস। শেখ মেহেদি, রিশাদ হোসেনদের কাছে রানের দাবি ছিল তার। সাইফুদ্দিন, তানজিম সাকিব ও তাকে হতাশ করেছে।

লিটন বলেন, ‘সব দলে যারা স্পিনার হিসেবে খেলে, তারা ব্যাটিংও পারে। তা না হলে আপনাকে চায়নাম্যান হতে হবে, মিরাকল কিছু যেন থাকে। তারা শুধু বোলিং হিসেবেই খেলে।’

‘শেখ মেহেদী তো ব্যাটিং পারে, কিন্তু ওই পারফরম্যান্সটা আমাদের দরকার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। রিশাদের ক্ষেত্রেও তা সত্যি।’ যোগ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

তিনি বলেন, ‘অলরাউন্ডারের ক্ষেত্রে সাইফুদ্দিন, সাকলাইন আছে। তানজিম সাকিবও আছে। তাদের কাছ থেকে আমরা ব্যাটিং আশা করি। কিছু কিছু সময় থাকবে যেখানে লোয়ার অর্ডারের দরকার। এই জিনিসটা খুবই জরুরি।’

মেহেদী, রিশাদরা প্রত্যাশামতো রান করতে পারছেন না বেশ কিছুদিন ধরেই। সাইফুদ্দিন হতাশ করছেন বারবার। তাই লোয়ার অর্ডার সমস্যা সমাধানের প্রশ্নে অসহায়ত্বই শোনা গেল লিটনের কণ্ঠে।

লিটন বলেন, ‘টি-টুয়েন্টিতে ৫ বোলার ছাড়া যেতে পারব না। আমি যদি ৯ ব্যাটসম্যান নিয়ে নামি, ৩ বোলার নিয়ে খেলা লাগবে। আপনার কাছে যদি সমাধান থাকে, দিতে পারেন আমাদেরকে।’

তিনি জানালেন, অনুশীলনে ব্যাটিংয়ের উন্নতির চেষ্টা যথেষ্টই করছেন রিশাদ- মেহেদীরা। ‘আমাদের যারা ব্যাটিং কোচ তাদের পেছনে সময় দিচ্ছে। অবশ্যই রাতারাতি বদল হবে না এবং এটা সম্ভবও না। তবে ওরা চেষ্টা করছে। আশা করি যে, বিশ্বকাপ আসতে আসতে কিছুটা হলেও ভালো হবে। আশা করি যে যদি সাধারণ ম্যাচগুলোতে পারফর্ম করে, তাহলে আত্মবিশ্বাস আরো বাড়বে।’