ব্যাট মাথার ওপর উঁচিয়ে ধরার অপেক্ষা আবারো বাড়লো মুমিনুল হকের। টানা পাঁচ ইনিংসে পাঁচ ফিফটি হাঁকিয়েও সেঞ্চুরির দেখা পেলেন না তিনি। এবার থামলেন ৫৬ রানে।
দেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই সেঞ্চুরিয়ান (১৩) সবশেষ সেঞ্চুরি করেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। কানপুরে ভারতের বিপক্ষে খেলেন ১০৭ রানের অপরাজিত ইনিংস।
এরপর ২০ মাসে ২০ ইনিংসে আর সেঞ্চুরির দেখা পাননি। তবে রানে ছিলেন না এমন না, ছন্দেই আছেন তিনি। শেষ ১২ টেস্ট ইনিংসে একবারও দশের নিচে আউট হননি মুমিনুল হক।
পেয়েছেন ছয় ফিফটি, যার মাঝে শেষ চার ইনিংসেই টানা পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন। যার মাঝে আশি পেরিয়েছেন তিনবার। কিন্তু কেন যেন সেঞ্চুরি হচ্ছে না। সবশেষ হতাশ করেছেন আজ।
আজ (সোমবার) মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিনের শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ, তবে সেই ধাক্কা সামাল দেন মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
তাদের ১৯৩ বলের ১০৫ রানের দৃঢ় জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে টেনে নেয় বাংলাদেশ। জুটি ভাঙে মুমিনুলের বিদায়েই। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা মেরে ধরা পড়েন তিনি।
মোহাম্মদ রিজওয়ানের গ্লাভসে উইকেট জমা হওয়ার আগে ১২০ বলে চারটি চারে ৫৬ রান করেন মুমিনুল। তার আগে অবশ্য তৃতীয় বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে ৫ হাজার রান পূর্ণ করেছেন মুমিনুল।
এদিকে মুমিনুল টানা ৫ ফিফটি হাঁকিয়ে ছুটছেন নিজের রেকর্ডের পেছনেই। ২০১৩- ২০১৪ সালে টানা ১১ টেস্টে ফিফটি করেছিলেন মুমিনুল। বাংলাদেশের আর কারো নেই এই কীর্তি।
তার সামনে সুযোগ ছিল বিশ্ব রেকর্ড গড়ার। আর একটি ফিফটি করলে ছুঁয়ে ফেলতেন দক্ষিণ আফ্রিকার এবি ডি ভিলিয়ার্সকে। রেকর্ড টানা ১২ পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। পরে তা করেছেন ইংল্যান্ডের জো রুটও।
বাংলাদেশের হয়ে মুমিনুল ছাড়া টেস্টে টানা ৫ ফিফটি আছে আর মাত্র একজনের। তিনি তামিম ইকবাল। ২০১০ সালে টানা পাঁচ ইনিংসে পঞ্চাশোর্ধ রান করেছিলেন তিনি। যার মাঝে আছে লর্ডসের সেই বিখ্যাত সেঞ্চুরিও।



