সমীকরণ জেনেই মাঠে নেমেছিল পাকিস্তান। ব্যাট হাতে মাঠেও দেখা গেল সেই সমীকরণ মেলানোর আপ্রাণ চেষ্টা। দুই শতাধিক রান তুলে নিজেদের কাজটা ঠিকঠাক করে দিয়েছেন ব্যাটাররা। এবার বোলাররা পারলেই হয়।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সুপার এইটে নিজেদের শেষ ম্যাচে বড় সংগ্রহ পেয়েছে পাকিস্তান। সাহিবজাদা ফারহানের সেঞ্চুরিতে আগে ব্যাট করে তুলেছে ৮ উইকেটে ২১২ রান। যা বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।
গতরাতে (শুক্রবার) নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ড জিতলেও বেশ চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। আটকা পড়ে সমীকরণের কঠিন মারপ্যাঁচে। আগে ব্যাট করলে অন্তত ৬৫ রান ও পরে ব্যাট করলে জিততে হতো ১৩.১ ওভারে।
যেহেতু টসে হেরে আগে ব্যাট করে ২১২ রান করেছে পাকিস্তান, সুতরাং এখন লঙ্কানদের ১৪৭ বা তার চেয়ে কম রানের মাঝে আটকাতে হবে। তবেই নিউজিল্যান্ডকে পেছনে ফেলে সেমিফাইনালে উঠবে পাকিস্তান ।
দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামানের উদ্বোধনী জুটিই পাকিস্তানকে দুই শ’ পার করিয়ে দিতে বড় ভূমিকা রাখে। ১৫.৫ ওভারে জুটি ভাঙার আগে ১৭৬ রান যোগ করেন দু’জনে।
যা পাকিস্তান তো বটেই, টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসেই যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি। ফখর ৪২ বলে ৮৪ রান করে আউট হলে ভাঙে এই জুটি। তবে ফারহান ঠিকই তিন অঙ্কে পৌঁছে যান।
৫৯ বলে চলতি বিশ্বকাপে তুলে নেন দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তাতেই গড়েছেন বিশ্ব রেকর্ড। এক আসরে দুই সেঞ্চুরি হাঁকানো একমাত্র ক্রিকেটার তিনি। এক আসরে সর্বোচ্চ ১৮ ছক্কা হাঁকানোর কীর্তিও গড়েছেন তিনি।
শেষ ওভারের প্রথম বলে আউট হওয়ার আগে ফারহান ৯ চার ৫ ছক্কাউ ৬০ বলে করেন ১০০ রান। ফারহান ও ফখর ছাড়া আর কেউ বলার মতো রান পাননি। শেষ ৫ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে আসে মাত্র ৪৯ রান।
এদিকে সেঞ্চুরি করার পথে কোহলিকে সরিয়ে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ রানের সিংহাসন দখলে নিয়েছেন ফারহান। এই মুহূর্তে তার রান ৬ ম্যাচে ৩৮৩। ২০১৫ আসরে ৩১৯ রান করেন কোহলি।



