সাইফের ব্যাটে সান্ত্বনার জয় ঢাকার

স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সাইফের এটি ছিল শততম ম্যাচ। এর আগে ৯৪ ইনিংসে তার নামের পাশে ছিল ৯৭টি ছক্কা। আজ পাঁচটি ছক্কা মেরে ১০২টি ছক্কা হয়ে গেল তার।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

দুঃস্বপ্নের মতো এবারের বিপিএল পার করলেন সাইফ হাসান। রানের জন্য ছিল রীতিমতো হাপিত্যেশ। তবে শেষ সময়ে এসে খরা কেটেছে তার, ৪৪ বলে ৭৩ রান করেন আজ।

সাইফের এমন ব্যাটিংয়ের পর তাসকিন-সাইফুদ্দিনদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সহজ জয় পেয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস। নিজেদের শেষ ম্যাচে চট্টগ্রামকে হারিয়েছে ৪০ রানে।

আগের ৯ ম্যাচে মাত্র ২ জয়ে প্লে অফ থেকে আগেই ছিটকে গিয়েছিল ঢাকা। আজকের ম্যাচটা ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতার। তবে সান্ত্বনার এক জয়ে শেষ বেলাটা রাঙাল ঢাকা।

ঢাকার জয়ের নায়ক সাইফ হাসান। ৫টি করে চার ও ছক্কায় ৪৪ বলে ৭৩ রানের ইনিংস খেলেন সাইফ। অথচ এর আগের ৮ ম্যাচ মিলিয়ে তার সংগ্রহ ছিল মাত্র ৬০!

স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সাইফের এটি ছিল শততম ম্যাচ। এর আগে ৯৪ ইনিংসে তার নামের পাশে ছিল ৯৭টি ছক্কা। আজ পাঁচটি ছক্কা মেরে ১০২টি ছক্কা হয়ে গেল তার।

সব মিলিয়ে রেকর্ড গড়েই নিজের ফিরে আসার বার্তা দিলেন সাইফ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে তার রানে ফেরা দলের জন্য স্বস্তির। এবার কেবল ছন্দ ধরে রাখলেই হয়।

১৫তম ওভারে তানভির ইসলামের শিকার হলে শেষ হয় সাইফের ইনিংস। তার দলের হয়ে আর কেউ তেমন ভালো করতে পারেনি। ৩০ বলে ২৯ করেন জুনায়েদ আকবারি।

বাকিদের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত ১ বল বাকি থাকতেই ১৭০ রানে অলআউট হয় ঢাকা। তানভির ইসলাম ৩ ও শরিফুল ইসলাম নেন ২ উইকেট।

রান তাড়ায় শুরু থেকে তাসকিনের তোপে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। এরপর তার সাথে যোগ দেন সাইফুদ্দিন। তাসকিন ২৮ রানে ৩ ও সাইফুদ্দিন ২০ রানে ৪ উইকেট নেন।

তাদের তোপে ১৬ ওভারে ৭৮ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে বসে চট্টগ্রাম। এরপর আমের জামালের ২৬ বলে ৪২ রানে কোনোরকমে তিন অঙ্কে পৌঁছায় দলটা।

এছাড়া হাসান নাওয়াজ ১৯ ও মোহাম্মদ নাইম করেন ১৮ রান। ১৯.৪ ওভারে গুটিয়ে যায় চট্টগ্রাম। এই ম্যাচ হারলেও অবশ্য আগেই প্লে অফ নিশ্চিত করেছে শেখ মেহেদীর দল।