সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আইরিশরা। তবে রিশাদ-মোস্তাফিজের গোছানো বোলিংয়ের বিপক্ষে সুবিধা করতে পারেনি তারা।
অলিখিত ফাইনালে আয়ারল্যান্ডকে ১৯.৫ ওভারে ১১৭ রানেই আটকে দিয়েছে বাংলাদেশ। রিশাদ হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান নিয়েছেন ৩টি করে উইকেট। ২ উইকেট নিয়েছেন শরিফুল ইসলাম।
চট্টগ্রামে ব্যাট করতে নেমে অবশ্য উড়ন্ত সূচনা পায় আইরিশরা। তিন চারে প্রথম ওভারেই তুলে নেয় ১৩ রান। পরের দুই ওভারে দেখেশুনে খেললেও চতুর্থ ওভারে ফের শরিফুলের ওপর চড়াও হন টিম টেক্টর।
টানা দুই চার ও এক ছক্কা হাঁকান প্রথম ৫ বলে। তবে শেষ বলে টেক্টরকে বোল্ড করে দেন শরিফুল। ১০ বলে ১৭ রান করে ফিরে যেতে হয় টেক্টরকে। দলীয় ৩৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় আইরিশরা।
দলীয় ৫০ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় তারা। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের স্লোয়ার বলে বোল্ড হন হ্যারি টেক্টর (৫)। পরের ওভারেই থিতু হবার আগে লরকান টাকারকে (১) ফেরান শেখ মেহেদী।
এরপর দৃশ্যপটে আসেন রিশাদ হোসেন। পরপর দুই উইকেট তুলে নেন তিনি। ১০ম ওভারের শেষ বলে কার্টিস ক্যাম্ফারকে (৯) ফেরান রিশাদ, আর পরের ওভারে এসে শিকার করেন পল স্টার্লিংকে।
বাউন্ডারি মারতে গিয়ে মিড উইকেটে সাইফকে ক্যাচ দেন স্টার্লিং। তার লড়াকু ইনিংস শেষ হয় ২৭ বলে ৩৮ রান করে। ৭৩ রানে ৫ উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। শেষ শিকার গ্রেথ ডিলানি (১০)।
রিশাদদের গোছানো বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে ৬ উইকেট হারিয়ে তিন অঙ্কের ঘরে যেতেই ১৬.১ ওভার লেগেছে আইরিশদের। পরের ১০ রানে পতন হয় আরো দুই উইকেট, দুটোই নেন মোস্তাফিজ।
আর শেষ ২ উইকেট ভাগাভাগি করেন শরিফুল ইসলাম ও সাইফুদ্দীন। ১ বল বাকি থাকতেই শেষ হয় আইরিশদের ইনিংস। সিরিজ জিততে বাংলাদেশের চাই ১১৮ রান।



